বর্তমানে প্রায়ই সাইবার হামলার মাধ্যমে তথ্য বেহাতের ঘটনা ঘটছে। ফলে তথ্য চুরি, অবৈধ লেনদেন, অর্থ পাচারসহ নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তবে সচেতনতার পাশাপাশি কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করলে সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকা সম্ভব। এমন কয়েকটি পদক্ষেপ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ইমেইল অ্যাড্রেস গুগল করা
অনলাইনে তথ্য ফাঁস হয়েছে কি না তা যাচাইয়ের সহজ উপায় গুগলে নিজের ইমেইল অ্যাড্রেস সার্চ করা। যদি সার্চ দেওয়ার পর ইমেইল অ্যাড্রেস পাওয়া যায় তাহলে ব্যবহারকারী ব্যক্তিগত তথ্য সরিয়ে ফেলার জন্য আবেদন করতে পারবে।
পাসওয়ার্ড ফাঁসের বিষয়ে সতর্কতা
ইমেইল বা পাসওয়ার্ড ফাঁস হয়েছে কি না সেটি যাচাই করতে হবে। হ্যাভ আই বিন পওনড ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।
পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার
পাসওয়ার্ড ফাঁস হয়েছে কি না যাচাইয়ের পর ভবিষ্যতে কোনো সমস্যায় পড়তে না চাইলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করতে হবে। একাধিক ওয়েবসাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া কোনো পাসওয়ার্ড নিয়ে সন্দেহ হলে দ্রুত পরিবর্তন করতে হবে।
লগইন অ্যাক্টিভিটি
অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে লগইন অ্যাক্টিভিটির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য জিমেইলসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লগইন সিকিউরিটি ওয়ার্নিং অ্যালার্ট সেট করা যেতে পারে।
কানেক্টেড ডিভাইস যাচাই
লগইন সিকিউরিটি সতর্কবার্তার পাশাপাশি নেটওয়ার্কে কয়টি ডিভাইস যুক্ত রয়েছে সেটি মাঝেমধ্যেই যাচাই করা উচিত। যদি অপরিচিত কোনো ডিভাইস পাওয়া যায় তাহলে সেটি রিমুভ করে দিতে হবে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন যাচাই
হ্যাকাররা অধিকাংশ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইমেইলে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে চায়। এর মধ্যে আর্থিক লেনদেন ও ব্যাংকের তথ্যও থাকে। তাই তথ্য ফাঁস হওয়া থেকে নিরাপদ থাকতে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও কার্ডের মাধ্যমে অর্থ আদান-প্রদানের তথ্য যাচাই করতে হবে।
ক্রেডিট কার্ডের ব্যালান্স যাচাই
ক্রেডিট কার্ডের ব্যালান্স কতটুকু আছে সেটি খেয়াল রাখতে হবে। যদি কোনো তথ্য ভুল মনে হয় এবং লেনদেন অস্বাভাবিক মনে হয় তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তথ্যসূত্র: মেক ইউজ অব, এফ–সিকিউর



