টস জিতে প্রথমে বোলিং। এবং তিন পেসার থাকার পরও নতুন বল পেলেন মেহেদী হাসান। কিন্তু বাংলাদেশের পরিকল্পনা যে ভুল ছিল না, সেটা বোঝাতে মাত্র চার বল লাগল। মেহেদির বলের লাইন মিস করে বোল্ড টিম সেইফার্ট। ১ রানে ১ উইকেট হারাল নিউজিল্যান্ড।
তখনো আসল ধাক্কা বাকি ছিল। অন্য প্রান্তে বল করতে এলেন শরীফুল। প্রথম বলে কোনো রান নেই। ইয়র্কার বলটা কোনোমতে ঠেকিয়েছেন ফিন অ্যালেন। পরের বলটা লেংথ বল। কিন্তু উইকেটে পরে হালকা মুভমেন্ট হওয়ায় তাতে ক্যাচ তুলে দিলেন কিউই ওপেনার। স্লিপে দাঁড়ানো সৌম্য হাতছাড়া করলেন না সেটা।
পরের বল খেলতে নামলেন গ্লেন ফিলিপস। লেগ স্টাম্পে বল পিচ করছে দেখে কোনো শট না খেলে ছেড়ে দেন ফিলিপস। জোরালো আবেদনে সারা দেননি আম্পায়ার। বাংলাদেশ কিছুক্ষণ ভেবে রিভিউ নেয়। এবং আম্পায়ারকে ভুল প্রমাণ করে টিভি আম্পায়ার আউটের সিদ্ধান্ত জানান। ৯ বলের মধ্যে মাত্র ১ রানে ৩ উইকেট নেই স্বাগতিক দলের!
পরের বলে হ্যাটট্রিকের সুযোগ ছিল, চ্যাপম্যানের প্যাডেও লেগেছিল শরীফুলের বল। কিন্তু আম্পায়ার এবারও না বলেছেন, বাংলাদেশও আর রিভিউ নেয়নি। দুই ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের রান ছিল মাত্র ২।



