এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টস জিতলে আগে ফিল্ডিং করাই নিরাপদ। গতকাল কানাডাই শুধু আগে ব্যাট করে জয় পেয়েছে। আজ গায়ানায় তাই টস জিতে নিউজিল্যান্ডের ফিল্ডিং নেওয়ারই কথা ছিল। সেটা নিয়েছেও তারা। এবং রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরানের দুর্দান্ত শুরুর পরও ১৫৯ রানে আটকে ফেলতে পেরেছিল।
এই রান তাড়া করতে পারাই উচিত নিউজিল্যান্ডের। ব্যাটিং লাইনআপে কেইন উইলিয়ামসন, ডেভন কনওয়ে, ড্যারিল মিচেল, গ্লেন ফিলিপস- ব্যাটসম্যানের তালিকা তো কম না। সেই নিউজিল্যান্ড ৬৩ রানে হারিয়ে ফেলেছিল ৯ উইকেট। পরে ৭৫ রানে থেমে হেরেছে ৮৪ রানে।
ইনিংসের শুরুতে কন্ডিশন কাজে লাগানোর যে ইচ্ছা ছিল নিউজিল্যান্ড, তা কোনো কাজে লাগেনি। ইব্রাহিম জাদরান ও গুরবাজ কোনো সুযোগ দেননি ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরিদের। পাওয়ার প্লেতেই ৪৪ রান এসে গেছে, পরের ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান করায় মনে হয়েছিল নিউজিল্যান্ড ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে।
এরপরই গতি বাড়ে আফগানিস্তান ইনিংসের। পরের ২০ বলেই ৪৫ রান তুলে এক শ পেরিয়ে যায় আফগানিস্তান। ১৫তম ওভারে ৪১ বলে ৪৪ রান করা জাদরান ফিরে গেলেও গুরবাজকে থামানো যায়নি।
শেষ ওভারে বোল্টের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৫ চার ও ৫ ছক্কায় ৮০ রান করেছেন গুরবাজ। ফলে ওমরজাই ছাড়া অন্য কেউ দুই অঙ্ক ছুঁতে ব্যর্থ হওয়ার পরও আফগানিস্তান ১৫৯ রান তুলেছে।
নিউজিল্যান্ড যা পারেনি আফগানিস্তান তা পেরেছে প্রথম বলেই। ফজল হক ফারুকির বলে লেগ স্ট্যাম্প হারান ফিন অ্যালেন। ডেভন কনওয়ে ফিরেছেন ফারুকির পরের ওভারে। একে একে ড্যারিল মিচেল, উইলিয়ামসনরা আসা যাওয়ার মিছিলে নেমেছেন, আর গুনে গুনে উইকেট নিয়েছেন ফারুকি, রশিদ, নবীরা। ১৬তম ওভারে ৭৫ রান অলআউট নিউজিল্যান্ড। ১৭ রানে ৪ উইকেট ফারুকির। ১৭ রানি ৪ উইকেট নিয়েছেন রশিদ খান। বাকি দুই উইকেট নবীর। সর্বোচ্চ ১৮ রান করেছেন ফিলিপস।



