জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছর দেড়েকে বড়সড় পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। নানান প্রেক্ষাপটে বিসিবি সভাপতির পদে পরিবর্তন এসেছে তিনবার। কিন্তু নাটকীয়ভাবে সব বোর্ডের সময়কালেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন দেশে না থাকা সাকিব আল হাসান। তবে এরপরও ক্রিকেটে সাকিবের ফেরা ধোঁয়াশাতেই থেকে গেছে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে নির্বাসিত সাকিব আল হাসান। সংসদ সদস্য হতে গিয়ে ক্রিকেটার পরিচয়টাই পড়ল হুমকির মুখে। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বিসিবি ভেঙ্গেছে তিনবার। কিন্তু এত সব জটিলতার মাঝেও সবসময় আলোচনায় থেকেছেন সাকিব। ফারুক আহমেদের বোর্ড থেকে বর্তমান বিসিবি অ্যাডহক কমিটি, সাকিবকে নিয়ে চর্চা এখনও চলছে।
তবে সাকিবের দেশে ফেরা, জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন শুধু কথার মাঝে সীমাবদ্ধ থেকেছে। এর মধ্যে সর্বশেষ বোর্ডের সহসভাপতি ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট অপারেশনস প্রধান নাজমুল আবেদিন, পরিচালক আসিফ আকবররা সবচেয়ে বেশি আশার বাণী শুনিয়েছেন গেল কয়েক মাসে।
আইনি জটিলতার সমাধান সরকারের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। পাকিস্তান সিরিজ পেরিয়ে নিউজিল্যান্ড সিরিজও এসে গেল। প্রতিবারই শোনা যায় পরের সিরিজেই খেলবেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। নতুন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার পুরোনো দায়সারা কথাই বলেছেন।
নানান প্রেক্ষাপটে বিসিবির তরফ থেকে মিলেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, তবে সাকিবের ফেরা নিয়ে অবস্থান কখনও সুস্পষ্ট হয়নি। এর মাঝে বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিগগিরি দেশে ফেরার পাশাপাশি ক্রিকেটে পূর্ণ মনোযোগ দেয়ার কথা বলে সবসময় শিরোনামে ছিলেন সাকিব।
খেলোয়াড় সাকিব যেমন রহস্যময়, তেমনি তার দলে ফেরা নিয়েও রহস্যের শেষ নেই। আপাতত টাইগার ক্রিকেটের আশেপাশে নেই সাকিব, এটাই বাস্তবতা।



