ফ্রান্সের ক্লাব পারি সাঁ জার্মেইতে (পিএসজি) এটাই হতে পারে কিলিয়ান এমবাপ্পের শেষ মৌসুম। প্যারিস ছাড়ার আগে পিএসজিকে অন্তত একবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের স্বাদ উপহার দিতে চেয়েছিলেন ফরাসি স্ট্রাইকার। চেয়েছিলেন ক্লাবটির ইতিহাস বদলাতে। সে সুযোগটা এবার ছিল ভালো ভাবেই।
চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারের প্রথম লেগে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের কাছে ১-০ গোলে হারলেও ফিরতি লেগ পিএসজির মাঠে ছিল বলে আশার প্রদীপ তখনো পুরোটা নিভে যায়নি। কিন্তু ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়ানো দূরে থাক, উল্টো আবারও ১-০ গোলে হেরে বসেছেন এমবাপ্পেরা। এতে চ্যাম্পিয়নস লিগে আরেকবার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে পিএসজির। হারের দায় নিজের কাঁধে নিয়ে ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, কিন্তু সেটা যথেষ্ট ছিল না।
এমবাপ্পে বলেছেন, ‘নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু পুরোপুরি সেটা করতে পারিনি। যখন ওদের (ডর্টমুন্ডের) বক্সের ভেতর কার্যকরী কিছু করার কথা উঠবে, সবার অভিযোগটা আমার দিকেই আসবে। আমারই গোল করা উচিত ছিল। সেভাবেই খেলতে হতো। যখন সবকিছু ভালো থাকে, তখন সব আলো আমার দিকেই আসে। বাজে দিনের দায়টাও আমাকেই নিতে হবে। এটা কোনো সমস্যা নয়।’
পিএসজি স্ট্রাইকার আরও বলেছেন, ‘প্রথমে যার গোল করা উচিত ছিল, সেটা হলাম আমি। এটাই জীবন। আমাদের এসব ভুলে এগিয়ে যেতে হবে।’
গতকাল প্রায় ৭০ শতাংশ বলের দখল নিজেদের পায়ে রেখেছিল পিএসজি। ডর্টমুন্ডের গোলমুখে নিয়েছিল ৩০ টি শট। এর মধ্যে চারটি শট পোস্টে লেগেছে। এরপরও হারের দায় হিসেবে ভাগ্যকে দোষারোপ করতে নারাজ এমবাপ্পে। তাঁর মতে, যথেষ্ট ভালো খেলতে পারেননি বলেই হেরেছে পিএসজি।
এমবাপ্পের ভাষায়, ‘জানি না, তারা (ডর্টমুন্ড) আমাদের চেয়ে ভালো ছিল কিনা। তাদের ছোট করে দেখার কিছু নেই। আমার মতে, দুই পাশের বক্সেই তারা আমাদের চেয়ে ভালো ছিল। তারা এক-দুইবার আমাদের বক্সে আক্রমণ করেছে, সেখান থেকে গোলও পেয়েছে। অন্যদিকে আমরা ওদের বক্সে অনেকবার গিয়েও গোল করতে পারিনি। সত্যটা এটাই।’
এমবাপ্পে আরও বলেছেন, ‘ভাগ্য আমাদের পাশে ছিল কিনা, এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না। ভালো খেললে বল পোস্টে লাগে না, গোল হয়ে যায়। আজ (মঙ্গলবার) আমরা, বিশেষ করে আক্রমণভাগ যথেষ্ট ভালো করতে পারিনি।’



