রাতে সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফিফা বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ফ্রান্স। ২০০২ বিশ্বকাপে ফরাসিদের হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল আফ্রিকার দলটি। এবার প্রতিশোধ নিতে চাইবে দিদিয়ের দেশমের দল। নিউ জার্সিতে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়। এদিকে, কাল ভোর ৪টায় নরওয়ের প্রতিপক্ষ ইরাক।
২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ও ২০২২ সালের রানার্স-আপ ফ্রান্স এবারও ভয়ংকর, শিরোপার অন্যতম প্রধান দাবিদার। ‘লে ব্লুজ’দের প্রথম বাধা সেনেগাল। আফ্রিকান দলটি মোটেও সহজ প্রতিপক্ষ নয়।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তিনে ফ্রান্স। আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, দেসিরে দুয়ে—সবাই বড় তারকা। যেকোনো দলকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন তাঁরা। রক্ষণে আছেন জুল কুন্দে, উইলিয়াম সালিবার মতো পরীক্ষিত নাম। মাঝমাঠে ভরসা অহেলিয়াঁ চুয়ামেনি ও আদ্রিয়ান রাবিও।
তবে দলে অন্তঃকোন্দলের গুঞ্জন আছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কন্ডিশন ফ্রান্সের জন্য চিন্তার কারণ। তীব্র গরমে হাই-প্রেসিং গেম খেলা চ্যালেঞ্জিং। ফলাফল পক্ষে না গেলে ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’ প্রবাদ বাস্তবে রূপ নেবে।
ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম বলেন, ‘প্রথম ম্যাচ বলেই গুরুত্বটা একটু বেশি। জয় দিয়ে আসর শুরু করতে পারলে দলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। সেনেগাল দুর্দান্ত দল। আফকনে ওদের পারফরম্যান্স দেখলেই সেটা বোঝা যায়। আমরা প্রস্তুত আছি।’
২০০২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ফ্রান্সকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল সেনেগাল। আরও একবার ফরাসিদের হতাশ করতে সাদিও মানে ও নিকোলাস জ্যাকসনের দিকে তাকিয়ে আফ্রিকান জায়ান্টরা। অন্যদিকে ফ্রান্সের জন্য এটি আড়ালে এক প্রতিশোধের মিশন।
সেনেগালের প্রধান কোচ পাপে থিয়াও বলেন, ‘২০০২ সালের গল্প এখন অতীত। ওটা দারুণ এক স্মৃতি। আমরা নতুন করে ইতিহাস লিখতে চাই। ফ্রান্স সেরা দলগুলোর একটি। ওদের হারানো সহজ হবেন না। আশা করি দারুণ একটা লড়াই হবে।’
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেছে নরওয়ে। জয় দিয়ে প্রত্যাবর্তন স্মরণীয় করতে চান আর্লিং হালান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডরা। অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে লড়াইয়ে নামবে ইরাক। চার দশক পর চূড়ান্ত পর্বে এসেছে এশিয়ান দলটি।



