ভারতের নাম প্রত্যাহারের পর আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের সামনে যে সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে এতদিন নাটকীয়তা কম হয়নি। অবশেষে ফিফার চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ।
প্রথমবারের মতো ফিফার তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হতে যাওয়া আসিয়ান কাপে অংশ নিতে যাচ্ছে হামজা চৌধুরীরা।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়াতে ফিফা আসিয়ান টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। ভারত ছিল 'এ' গ্রুপে। ভারতের পরিবর্তে বাংলাদেশ সুযোগ পাওয়ায় হামজাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।
শুরুর দিকে বাংলাদেশ আসিয়ান খেলতে আগ্রহী কি না জানতে চায় ফিফা। এরপর বাফুফের জাতীয় দল কমিটির সম্মতি এবং শেষ পর্যন্ত ফিফার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন—এই ধাপ পেরিয়েই নিশ্চিত হয়েছে হামজাদের অংশগ্রহণ।
মূলত ভারত সেপ্টেম্বরের আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে বলে আসিয়ান কাপ থেকে সরে দাঁড়ায়। এরপর ভারতের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশকে বিবেচনা করে ফিফা।
আট দল দুটি গ্রুপে এই টুর্নামেন্ট খেলবে। শুধু গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচই নয়, গ্রুপে অবস্থান নির্ধারনী আরও একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে সব দল।
দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন সরাসরি খেলবে ফাইনালে, রানার্সআপরা তৃতীয় স্থান খেলবে। সেই সঙ্গে প্রতিটি গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলগুলো পঞ্চম স্থান এবং চতুর্থ হওয়া দলগুলো সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে। ফলে প্রতিটি দলের জন্যই চারটি ম্যাচ নিশ্চিত।



