তিন দিনের সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীন সফর শেষ করার আগে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আবারও বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় ইরান ইস্যুতে আলোচনা করেন দুই নেতা।
ট্রাম্প জানান, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অবস্থান একই। যুক্তরাষ্ট্রের মতো চীনও চায় না ইরানের কাছে কোন ভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক। এছাড়াও হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা ইস্যুতেও আলোচনা হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। সেপ্টেম্বরে শি জিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্র সফর করার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি অসাধারণ সফর ছিল এবং আমি মনে করি এর থেকে অনেক ভালো কিছু হয়েছে। আমরা কিছু চমৎকার বাণিজ্যিক চুক্তি করেছি, যা উভয় দেশের জন্যই দারুণ। শি জিনপিং এমন একজন মানুষ যাকে আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি। আমরা একে অপরকে দীর্ঘ সময় ধরে চিনি। এই সময়ে আমরা এমন অনেক সমস্যার সমাধান করেছি যা অন্য কেউ সমাধান করতে পারত না, আর আমাদের সম্পর্ক এখন খুবই দৃঢ়।’
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সফরকে ঐতিহাসিক সফর বলে মন্তব্য করেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আলোচনার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি নতুন, গঠনমূলক ও কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে দ্বিতীয় ধাপের বৈঠকের আগে, দেড় হাজার একর এলাকাজুড়ে বিস্তৃতি চীনের রাজকীয় উদ্যান জংনানহাই ঘুরে দেখেন ট্রাম্প। এ সময় এই বাগান থেকে বিরল গোলাপের বীজ ট্রাম্পকে উপহার হিসেবে পাঠানোর ঘোষণা দেন শি জিনপিং।



