বিধানসভায় জয়ের মধ্যে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নতুন অধ্যায় শুরু হলো। তাই এ দিনটিকে ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব বলছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা তৃণমূলকে হারিয়ে নিরঙ্কুশ জয় নিশ্চিত করেছে বিজেপি। ২০৬ আসনে জয় পায় দলটি। আর তৃণমূল পায় ৮১টি আসন।
টানা তিনবার ক্ষমতা পাওয়া তৃণমূলকে হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মসনদে বসলো বিজেপি। ২০২১ সালে ২১৪ আসনে জয় পাওয়া মমতা ব্যানার্জির দল এবার জিততে পারেনি ১০০ টিতেও।
অন্যদিকে, গতবার মাত্র ৭৭ আসন পাওয়া বিজেপি এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বাজিমাত করলো। ফলতা আসন বাদে ২৯৩টি আসনের ফল প্রকাশ হয়। জয়ের জন্য ২৯৪ আসনের মধ্যে দরকার ১৪৮টি।
আলোচনার অন্যতম আসন ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জিকে বিপুল ভোটে হারালেন বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামেও প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থীর চেয়ে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন শুভেন্দু।
এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের রাজপথে আনন্দ মিছিল করেছে গেরুয়া শিবির। আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উচ্ছ্বাস জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বলেন, এই নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। পরে দিল্লিতে দলীয় সদর দপ্তর থেকে বক্তব্য রাখেন তিনি। এ জয়কে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে মোদি বলেন, জয় হয়েছে গণতন্ত্রের।
তিনি বলেন, বাংলার পবিত্র ভূমিতে আজ এক নতুন সূর্যোদয় হলো। বাংলার মানুষ তোষণ এবং ভয়ের রাজনীতিকে ছুঁড়ে ফেলেছে। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করবে বিজেপি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে। তাই আর বদলা নয়, এবার বদল হবে।
এদিকে, এক্স বার্তায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেন, অনুপ্রবেশকারী ও তাদের স্বার্থ রক্ষাকারীদের জবাব দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের জনগণ।



