ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় রয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী আলি লারিজানি। এছাড়া দেশটির প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
এসব ব্যক্তিদের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর দমন পীড়নের স্থপতি বলে আখ্যা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ জব্দ হবে এবং মার্কিন নাগরিকদের জন্য তাদের সঙ্গে ব্যবসা করা অবৈধ হয়ে যাবে।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিহত বিক্ষোভকারীদের মরদেহ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে বড় অংকের অর্থ দাবি করছে ইরান সরকার। দাবিকৃত অর্থ না দেয়া হলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে না বলে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও বিবিসিকে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।



