যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কয়েক সপ্তাহের তীব্র হামলার পরও ইরানের কাছে এখনো ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত আছে। এমনকি এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা মার্কিন অবরোধেও বড় কোনো অর্থনৈতিক চাপে পড়েনি ইরান। এমনটাই বলছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একটি গোপন মূল্যায়ন প্রতিবেদন।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে ৪০ দিন ধরে যুদ্ধের পর গত ১২ এপ্রিল দেশটির বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে, প্রায় এক মাস ধরে ইরানের বন্দরগুলো থেকে কোনো জাহাজ বাইরে যেতে পারছে না, আবার কোনো জাহাজ বন্দরে ভিড়তেও পারছে না।
তবে একমাসের এই অবরোধে এখন পর্যন্ত বড় কোনো অর্থনৈতিক চাপে পড়েনি ইরান। এমনকি দেশটির অর্থনীতিতেও পড়েনি বড় কোনো চাপ। বরং আরও চার মাস এই অবরোধ সামাল দিতে পারবে দেশটি। এমনটাই বলা হয়েছে সিআইএর প্রতিবেদনে। আর সংস্থাটির এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।
এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কয়েক সপ্তাহের তীব্র হামলার পরও ইরানের কাছে এখনো ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত আছে। যদিও, ট্রাম্প প্রশাসনের এক উর্ধ্বতন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলছেন, সিআইএর মূল্যায়ন প্রতিবেদনের এই দাবি সঠিক নয়।
এই কর্মকর্তার পাল্টা দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ইরানের বাস্তব ও ক্রমবর্ধমান ক্ষতি করছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক শক্তি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে, নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশটির নেতারা আত্মগোপনে চলে গেছেন। যেখানে এমন দাবি বারবারই করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসন।



