কাজে ফিরছেন পরী মণি। একসঙ্গে তিন তিনটি ছবি তাঁর হাতে। কাজে ব্যস্ত শরীফুল রাজও। এত কিছুর পরও ঘুরে-ফিরে আসছে এই দুই তারকার ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ।। কারণ, রাজ্যর বাবা-মা সম্প্রতি আলাদা হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করেছেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজকে বিবাহবিচ্ছেদের নোটিশ পাঠিয়েছেন অভিনেত্রী।
পরী মণির অভিযোগ, রাজের অন্য নারীদের প্রতি আসক্তি ছিল। তাঁদের মনের কোনো মিল ছিল না। তবে পরীর অভিযোগের পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি রাজও। এত কিছুর মাঝে দিন কেমন কাটছে নায়িকার?
ছেলে রাজ্যর সঙ্গে আরও বেশি করে সময় কাটাচ্ছেন পরী। যার নজির পাওয়া যায় এ নায়িকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে।
রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নতুন করে অনেক কিছু উপলব্ধিও করছেন নায়িকা, যা উঠে আসছে তাঁর পোস্টে। রোববার তেমনই একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। যেখানে ছিল তাঁর ছেলে রাজ্যও।
অভিনেত্রী লেখেন, “জীবনের থেকে এখন আমি মাত্র একটা জিনিসই চাই, সারা জীবন যেন ছেলের পাশে থাকতে পারি। রাজ্যের বড় হয়ে ওঠার সাক্ষী থাকতে চাই আমি।”
গত মে মাসে অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামালের সঙ্গে রাজের কিছু বিশেষ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর তাঁদের বিচ্ছেদ অবধারিত হয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেছিলেন পরীর ঘনিষ্ঠজনরা। অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গেও রাজকে জড়িয়ে মন্তব্য করেছিলেন নায়িকা। তবে বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে পরী সেগুলো উল্লেখ করেননি বিচ্ছেদপত্রে।
সেখানে ৪টি কারণ উল্লেখ করেছেন—১. মনের অমিল হওয়া, ২. বনিবনা না হওয়া, ৩. খোঁজ না নেওয়া ও ৪. মানসিক অশান্তি। এই কারণগুলোর জন্য বিচ্ছেদ আইনের ১৮ নং কলাম অনুযায়ী বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করতে চেয়েছেন পরী মণি।
অন্যদিকে, রাজও তাঁর সে সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন। তাঁর বিচ্ছেদপত্রটি আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন।


বিচ্ছেদপত্রে যে ৪ কারণ দেখিয়ে রাজকে তালাক দিলেন পরী
‘রাজ ও তার পাতানো বোন মিলে গায়ে হাত তুলেছে’
প্রাক্তনের পাঠানো চিঠি হাতে পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ: রাজ
