শুক্রবার (৬ অক্টোবর) শুরু হচ্ছে গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব-২০২৩। এবারের উৎসবে বাংলাদেশ ও ভারতের মোট ৪৪টি নাটক প্রদর্শিত হবে। ভেন্যু রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও বেইলী রোডের মহিলা সমিতি। এক-দুটি ব্যতিক্রম বাদে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় চারটি হলে প্রদর্শিত হবে নাটকগুলো। ১২ দিনব্যাপি এ উৎসব চলবে আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত।
উৎসবের প্রথম দিন ৬ অক্টোবর প্রদর্শিত হবে—মেরাজ ফকিরের মা (থিয়েটার), ভগবান পালিয়ে গেছে (বাতিঘর), ১৯৭১ (একতা নাট্যগোষ্ঠী) ও কোর্ট মার্শাল (থিয়েটার আর্ট ইউনিট)। দ্বিতীয় দিন মঞ্চায়ন হবে—উড়ন্ত তারাদের ছায়া (সংস্তব), নানকার পালা (আরণ্যক), ভাগীরথীর ভাগ্যরথ (সংশপ্তক থিয়েটার) ও শিখন্ডী কথা (মহাকাল নাট্যসম্প্রদায়)। তৃতীয় দিন থাকছে—অচলায়তনে অপ্সরী (পুলিশ থিয়েটার), ট্রায়াল অফ সূর্যসেন (ঢাকা পদাতিক), মেহেরজান (মৈত্রী থিয়েটার) ও নেতা যে রাতে নিহত হলেন (এথিক)। চতুর্থ দিনের আয়োজনে থাকছে—রায়মঙ্গল (অনুস্বর), পারাপার (দেশ নাটক), বঙ্গমাতা (উত্তরীয় থিয়েটার) ও সুন্দর (লোক নাট্যদল, বনানী)। পঞ্চন দিন থাকছে—অচলায়তন (প্রাচ্যনাট), অধরা মাধুরী (আজকের প্রজন্ম), বিষ পবনের গীত (নাটনন্দন) ও রাজা গিলগামেশ (বাগেরহাট থিয়েটার-ফরিদপুর থিয়েটার)। ষষ্ঠ দিন প্রদর্শিত হবে—ঈর্ষা (প্রাঙ্গণেমোর), পঞ্চনারী আখ্যান (ঢাকা থিয়েটার), নাখাই (আরামবাগ থিয়েটার) ও তামাশা (চন্দ্রকলা থিয়েটার)।
উৎসবের ৮ম দিন বিকাল ৫টা ও সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হবে পাপেট শো ‘টেমিং অব দ্য ওয়াইল্ড। এছাড়া সপ্তম দিনের আয়োজনে থাকছে—তীর্থযাত্রী (নাট্যকেন্দ্র), জায়া প্রজায়িনী (প্রতিভাস), বাল্মিকী প্রতিভা (কারিশমা সাংস্কৃতিক দল) ও তাজমহলের টেন্ডার (কণ্ঠশীলন)। অষ্টম দিনে রয়েছে—ভোরের বারান্দা (কল্যাণী নাট্যচর্চা কেন্দ্র), স্বর্ণময়ী (নাট্যধারা) ও অন্তরে বাহিরে চিত্রঙ্গদা (নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়)। নবম দিনে প্রদর্শিত হবে—নকশীকাঁথার মাঠ (বাংলাদেশ একাডেমি অফ ফাইন আর্টস), পীরচাঁনের পালা (শব্দ নাট্যচর্চা কেন্দ্র), ভালোবাসা (অনীক) ও ভাগের মানুষ (সময়)। দশম দিনের প্রযোজনায় রয়েছে—ব্রাহ্মণ (অনীক), হ্যাপি ডেজ (হৃৎমঞ্চ), অন্তরালের আয়না (সৌখিন থিয়েটার) ও সক্রেটিসের জবানবন্দি (দৃশ্যপট)। উৎসবের শেষ দিনের (১৬ অক্টোবর) আয়োজনে থাকছে—আমরা তিনজন (লোক নাট্যদল), বিনোদিনী (গোবরডাঙ্গা নকশা), গালিভারের সফর (ভিশন থিয়েটার) ও কোথায় জলে মরাল চলে (নাট্যম রেপার্টরি)।
প্রসঙ্গত, এবারের এই সাংস্কৃতিক মহোৎসবে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় ১৪৫টি দল নাটক, সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্যে অংশগ্রহণ করবে। একক শিল্পী থাকছেন ৮০ জন।


আজিজ বোর্ডিং থেকে বলিউড, জেমসের সংগীতজীবন
হাতির সঙ্গে ভাব জমিয়েছিলেন কোয়েল!
