বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ ‘মিধিলি’ পটুয়াখালীর উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। আজ শুক্রবার দুপুরের পরে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেলেও দমকা হাওয়া বেড়েছে। বৃষ্টি বন্ধ হওয়ায় মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। এরই মধ্যে দিনের শেষ ভাগে রোদের দেখা মিলেছিল।
তবে দমকা বাতাস নতুন করে শঙ্কা বাড়াচ্ছে। মিধিলি পুরোপুরি অতিক্রম না করায় পটুয়াখালী থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ। বৃষ্টি না থাকায় মানুষ চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কুয়াকাটায়ও দুপুর থেকে বৃষ্টি নেই। মাঝেমধ্যে দমকা বাতাস বইছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে মিধিলির আঘাতের আশঙ্কায় পটুয়াখালী জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক জরুরি সভা করে। সভায় জানানো হয়, জেলায় ৭০৩টি আশ্রয়ণ কেন্দ্র, ৩৫টি মুজিব কিল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সিপিপি সদস্য আছে ৪৩৫টি ইউনিটের ২০ জন করে ৮ হাজার ৭৬০ জন, জেলায় রেডক্রিসেন্ট ২৫০ জন ভলান্টিয়ার প্রস্তুত রাখা হয়। এ ছাড়া জি আর নগদ অর্থ ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা, জি আর চাল মজুত রয়েছে ৬৫০ টন।


ঘূর্ণিঝড় মিধিলি: সন্দ্বীপে গাছ পড়ে একজনের মৃত্যু 
