বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে আগ থেকে কিছু বলা বোকামি। তবু সিলেট টেস্টে বাংলাদেশ যে হারছে না, সেটা জানাই ছিল। শেষ দিনে জয়ের জন্য ৩ উইকেটে ২২০ রান দরকার ছিল নিউজিল্যান্ডের। পঞ্চম দিনের উইকেটে যা প্রায় অসম্ভব। নিউজিল্যান্ড সেটা পারেনি।
তাইজুল ইসলামের দ্বাদশ ইনিংসে পাঁচ উইকেটের কীর্তিতে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে এই প্রথমবার হারাল বাংলাদেশ। ড্যারিল মিচেল, ইশ সোধি ও টিম সাউদি মিলে শুধু হারের ব্যবধান ১৫০ রানে নামিয়ে এনেছেন।
নিউজিল্যান্ডকে ঘর ও ঘরের বাইরে-দুই ক্ষেত্রেই হারানোর স্বাদ পেল বাংলাদেশ। এর আগে বাংলাদেশের কাছে ঘরে ও বাইরে হেরেছে শুধু জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
টেস্টে এটি বাংলাদেশের ১৯তম জয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয়। প্রথম জয়টি এসেছিল ২০২২ সালে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে। মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে বাংলাদেশের বিপক্ষে একাধিক ম্যাচ হারল কিউইরা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হেরেছে জিম্বাবুয়ে-৮টি। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ গেরেছে ৪টি ম্যাচ। বাকি কোনো দলকেই একবারের বেশি হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে ঘরে ও ঘরের বাইরে অন্য কোনো প্রতিপক্ষকে হারানোর সম্ভাবনাও কখনো জাগেনি।
৩৩২ রানের লক্ষ্যে গতকাল ১০২ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে সফরকারীরা। আজ শেষ দিন শুরু করে ১১৩ রানে। ভূমিকম্পের কাঁপুনি বাংলাদেশ কেঁপে উঠলেও ড্যারিল মিচেল ও ইশ সোধি টিকেছিলেন আধঘন্টা।
ফিফটির একটু পরই আউট হয়ে যান মিচেল (৫৮)। অধিনায়ক টিম সাউদি আগ্রাসীভাবে রান তুলে নিয়েছেন কিছু। তাঁর ২৪ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ৩৪ রানে নবম উইকেটে ৪৬ রান পায় নিউজিল্যান্ড। কিন্তু তাইজুলকে মারতে গিয়ে আউট হন সাউদি।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেটপ্রাপ্তিকে একটু পরই ম্যাচে দশ উইকেটের আনন্দে রুপ দিয়েছেন তাইজুল। ১৮১ রানে থেমেছে নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৫ রানে ৬ উইকেট পাওয়া তাইজুল এর আগে শুধু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ১০ উইকেট পেয়েছিলেন।



