মাত্রই শেষ হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ২০২৪-২০২৬। এতে এবার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। নতুন দায়িত্ব নেওয়ার আগেই জানালেন পুরনো প্রত্যয়। বললেন, হিন্দি ছবির আমদানি বন্ধ করাটাই হবে তার অন্যতম কাজ।
অভিনেতার ভাষ্য, ‘হিন্দি ছবি আমদানি কীভাবে হলো সেটাই আমি জানি না। এই কমিটি বলে তারা পক্ষে ছিল না, ওই সংগঠন বলে তারা পক্ষে ছিল না। আর লভ্যাংশ নেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। আমরা তো হিন্দি ছবি আমদানির পক্ষে না। হিন্দি ছবি যেন আমদানি না হয় সেই চেষ্টা করব। আমরা দেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে চাঙ্গা করতে চাই। হিন্দি ছবিকে জায়গা ছেড়ে দিতে চাই না। কলকাতার বাংলা ছবি আসুক আমার আপত্তি নেই।’
ডিপজল আরও বলেন, হিন্দি সংস্কৃতি আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির জন্য খারাপ। দেশীয় সংস্কৃতি ধ্বংস করে দেবে হিন্দি ছবির এমন আমদানি অব্যাহত থাকলে। মুখ থুবড়ে পড়বে দেশীয় চলচ্চিত্র। যারা বলছেন হিন্দি ছবি হল সচল রাখে, তারা সঠিক বলছেন না। নিয়ম করে দেশীয় সিনেমা মুক্তি দিলে হল এমনিতেই সচল থাকবে। আমি সেটাই করিয়ে দেখাব। এক বছরের মধ্যে আপনারা পরিবর্তন দেখতে পারবেন।
গত বছরের জানুয়ারিতে ভারতীয় ‘পাঠান’ ছবি মুক্তির আগে ডিপজল দাবি করেছিলেন, ‘হিন্দি সিনেমায় অশালীন দৃশ্য ও গান থাকে। বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে হিন্দি সিনেমা যায় না।’
ডিপজলের এমন বক্তব্য নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে চলে তুমুল আলোচনা। কেউ কেউ লেখেন, ডিপজল নিজেই অনেক ‘অশ্লীল’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এর মধ্যেই টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম খবরে এসেছিলেন ডিপজল।
এ অভিনেতার বক্তব্য ছিল এমন, ‘হিন্দি সিনেমা আমাদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পরিপন্থী। সিনেমা হলে সরাসরি হিন্দি সিনেমা মুক্তি পেলে আমাদের চিরায়ত ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসবে। কারণ, হিন্দি সিনেমায় যেসব গান ও দৃশ্য তুলে ধরা হয়, তা আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না। এসব সিনেমায় এমন অনেক দৃশ্য ও গান থাকে যেগুলো অশ্লীলতার পর্যায়ে পড়ে।’


সম্পর্কটা ভুল ছিল, সাবেক স্ত্রী তিন্নি প্রসঙ্গে হিল্লোল
