কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ার হলো আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বায়োপিক। ‘দ্য অ্যাপ্রেনটিস’ নামের এই সিনেমা পরিচালনা করেছেন ইরানি-ডেনিশ নির্মাতা আলী আব্বাসি। যেখানে প্রেসিডেন্টকে একজন ধর্ষক হিসেবে দেখানো হয়েছে, প্রথম স্ত্রী ইভানাকে লাঞ্ছিত করেছিলেন তিনি।
সিনেমাটিতে ১৯৮৯ সালে এই দম্পতির বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া চলকালের ঘটনাকে কাল্পনিক রূপ দেওয়া হয়েছে। শেষের দিকে দেখা যায়, চেহারার জন্য ট্রাম্পকে অপমান করেন ইভানা। বলেন, ‘তোমার মুখ কমলার মতো! মোটাও হচ্ছেন, কুৎসিত হয়ে যাচ্ছেন, টাক হয়ে গেছেন।’
ইভানার এসব কথায় ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প। তারপরই ভবিষ্যত রাষ্ট্রপতি তাঁর স্ত্রীকে নির্যাতন শুরু করেন। মেঝেতে চেপে ধরেন ইভানাকে! সিনেমাটির এই দৃশ্য হতবাক হয়ে যান দর্শকরা। তারপরেই কান আঙিনায় এ নিয়ে শোরগোল শুরু।
এবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন ট্রাম্প ক্যাম্পেইনের প্রধান মুখপাত্র স্টিভেন চেউং। তাঁর দাবি, ওই ঘটনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। যে কারণে পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। খবর ভ্যারাইটির।

বিনোদনভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যমকে স্টিভেন চেউং বলেন, ‘এই আবর্জনাটি নিছক কল্পকাহিনী, যা দীর্ঘদিন আগে নাকছ করে দেওয়া মিথ্যাকে অতিরঞ্জিত করে চাঞ্চল্যকর বানানো হয়েছে।’
যোগ করে তিনি আরও বলেন, ‘এটা অনেকটা অবৈধ বাইডেন ট্রায়ালের মতো। হলিউডের অভিজাতদের নির্বাচনী হস্তক্ষেপ, যারা জানেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউস পুনরুদ্ধার করবেন এবং তাদের পছন্দের প্রার্থীকে পরাজিত করবেন, কারণ তারা যা করেছেন তা ফলপ্রসু হয়নি।’

এদিকে, সিনেমাটির ওই দৃশ্য ১৯৯০ সালে দেওয়া ইভানার জবানবন্দিকে প্রতিফলিত করে। যেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, ট্রাম্প তাঁকে চুলের মুষ্টি ধরে মেঝেতে ফেলে দিয়েছিলেন।
দ্য অ্যাপ্রেনটিস-এ ট্রাম্পের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সেবাস্তিয়ান স্ট্যান। আর স্ত্রী ইভানার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মারিয়া বাকালোভা।
যে ঘটনাগুলো এতে চিত্রিত হয়েছে সেগুলো কাল্পনিক, এমন ঘোষণা দিয়েই শুরু হয় চলচ্চিত্রটি। সোমবার (২০ মে) কান চলচ্চিত্র উৎসবে এটি প্রদর্শিত হলে ৮ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওভেশন পেয়েছে।


মেরিল স্ট্রিপের হাতে সম্মানসূচক স্বর্ণপাম, লালগালিচায় কুকুর মেসি
টানা ৬ মিনিট করতালিতে ভাসল ‘ম্যাড ম্যাক্স’র নতুন কিস্তি, নিয়ম ভাঙলেন অভিনেতা
