অবশেষে বিবাহবন্ধনে বাঁধা পড়লেন অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট। মুম্বাইয়ের বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সের জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে বসেছিল আম্বানি পুত্রের বিবাহ আসর। দেশি-বিদেশি নানা তারকাদের উপস্থিতিতেই সাত পাক ঘোরেন নব দম্পতি। এত তারকার ভিড়েও সকলের চোখ চলে যাচ্ছিল নববধূর দিকেই।

লেহেঙ্গার সঙ্গে নববধূর সাজ ছিল সবাইকে মুগ্ধ করার মতই। তবে মজার বিষয় হলো আম্বানি পুত্রবধূ বিয়ের সাজে কোনো নতুন গয়না পরেননি। পারিবারিক রীতি ও ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করতেই হয়তো তিনি এই কাজটি করেছেন। মা-ঠাকুমার বিয়ের গয়নায় সেজেছিলেন এদিন। তাঁর গলার হার, মাং টিকা এবং কানের দুলে ছিল ঐতিহ্যের ছোঁয়া।

আম্বানি ছোট পুত্রবধূর ব্রাইডাল লুকটি স্টাইল করেছিলেন রিয়া কাপুর। তবে লেহেঙ্গাটি ডিজাইন করেছিলেন বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার আবু জানি-সন্দীপ খোসলা। ডিজাইনারের ভাবনায় রাধিকার লেহেঙ্গায় ফুটে উঠেছিল গুজরাটি ঐতিহ্য। সাধারণত গুজরাটি কনে বিয়ের সময়ে লাল-সাদা পোশাকে সাজেন। পোশাকের সেই প্যাটার্ন আবু জানি-সন্দীপ নতুন করে সাজিয়েছিলেন লেহেঙ্গায়।

অনেক বলিউড অভিনেত্রীর ব্রাইডাল লুক আমাদের নজর কাড়ে। কিন্তু রাধিকার এই সাজের সামনে যেকোনো সুন্দরীর লুকও ফিকে হয়ে যাবে। জরির কারুকার্য করা অপরূপ লেহেঙ্গা তাঁর সাজকে নিয়ে গিয়েছিল অন্য মাত্রায়। সেই সঙ্গে তাঁর মিষ্টি হাসি যেন সবাইকে বস করে ফেলেছিল।

আইভরি লেহেঙ্গাটি ছিল চোখ ধাঁধানো। তার উপরে স্টোন, সিকুইন, টাম্বা টিক্কি এবং লাল রেশমের কারুকার্য করা হয়েছিল। পোশাকটির ছিল লালের তিনটি গ্লিটার বর্ডার, যেটি এই লেহেঙ্গার অন্যতম আকর্ষণ। শিল্পীর মুনশিয়ানায় আম্বানিদের পুত্রবধূর সাজে ফুটে উঠেছিল গুজরাটি ঐতিহ্য।

বিখ্যাত ড্রেপিং আর্টিস্ট ডলি জৈন রাধিকা মার্চেন্টকে লেহেঙ্গা ড্রেপ করেছিলেন। এই লহেঙ্গার সঙ্গে একটি ডিটাচেবল ট্রেইল যোগ করা হয়েছিল। এই ট্রেইলেও ছিল জরদৌসি কাজ। এদিকে রাধিকা মার্চেন্টের ভেইলটিও ছিল নজরকাড়া। ৫ মিটার ভেইল এবং এমব্রয়ডারি লাল দোপাট্টায় তিনিই হয়ে উঠেছিলেন এক স্বপ্নসুন্দরী।



