জাতির জীবনে যুক্ত হলো শোকাবহ জুলাই

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৪, ১০:৪১ পিএম

বাংলাদেশের ইতিহাসে কোটা সংস্কারসংক্রান্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রক্তাক্ত ও শোকাবহ জুলাই হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ছাত্র গণআন্দোলন কতটা সর্বব্যাপী রূপ নিতে পারে, শাসকগোষ্ঠী তা দেখেছে। ছাত্র গণঅন্দোলন থেকে গণঅভ্যূত্থানের ঘটনা এ ভূখণ্ডে আগেও হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানি আমল ও স্বাধীন বাংলাদেশের সময়কালে একদিনে এত মৃত্যু এ দেশের মানুষ কখনো প্রত্যক্ষ করেনি। একদিকে আন্দোলনের ব্যাপকতা অন্যদিকে সরকারের ব্যাপক দমন-পীড়নের কৌশলে চার বছরের শিশুও বাদ পড়েনি। অধিকাংশ মৃত্যু হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে। জ্ঞাত-অজ্ঞাত মিলিয়ে এ পর্যন্ত দুই শতাধিক নিহতের তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এ তালিকা দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইতিহাস থেকে আমরা দেখেছি, ছাত্ররা যখন ন্যায্য কোনো দাবিতে সোচ্চার হয়েছে, সাধারণ মানুষ তাদের সাথে রাস্তায় নেমে এসেছে। দেশে দেশে যুগে যুগে অগণতান্ত্রিক সরকারকে সব সময়ই দমন পীড়নের পথ বেছে নিতে দেখা যায়। এ দেশের বিভিন্ন সরকারের ক্ষেত্রে তার ব্যত্যয় ঘটেনি। সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলকে মাঠছাড়া করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বহুদিন থেকে। বেশ কিছু বছর যাবৎ নাগরিক সংগঠন বা মানবাধিকার সংগঠন, নারী সংগঠন, এমনকি সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্তৃক যেকোনো অন্যায়ের প্রতিবাদে আয়োজিত সভা-সমাবেশ বা অনুষ্ঠানের প্রতি ক্রমাগত রাষ্ট্রীয় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। লেখালেখি ও মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণে আইন করা হয়েছে। এসব কারণে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়ে আছে। সাথে যুক্ত হয়েছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাকাল অবস্থা। সরকারি এমন কোনো বিভাগের কথা বলা যাবে না, যেখানে ঘুষ, দুর্নীতি ছাড়া কাজ হয়। কিছুদিন ধরে প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তিদের আকণ্ঠ দুর্নীতির খবর একটার পর একটা প্রকাশিত হচ্ছে। এসব মানুষকে সরকারের প্রতি বিক্ষুব্ধ করে তুলেছে।

এটা এখন দিনের আলোর মতো পরিস্কার, মোটাদাগে সরকারের অবৈধ ক্ষমতার সহযোগী এ দেশের কিছু ব্যবসায়ী, প্রশাসন ও দলীয় মাস্তান বাহিনী। এই সহযোগীদের সঙ্গে নিয়েই ভোট ভোট খেলা খেলে জনগণকে কোনো পাত্তা না দিয়ে সরকার দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় টিকে আছে। সরকার তার দলীয় ও রাষ্ট্রীয় পেটোয়াবাহিনী দিয়ে সমস্ত মানুষের মুখ বন্ধ করে রাখতে চায়। এর আগেও ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন, এমনকি তারও আগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন সরকার একই কায়দায় দমন করেছে। দমন করলেই আগুন নেভে না, বরং স্ফুলিঙ্গ ছাই চাপা পড়ে থাকে। অনুকূল বাতাস পেলেই তা আবার জ্বলে ওঠে। এবারের আন্দোলন মাত্রা ও পরিমাণ বিবেচনায় অনেক ব্যাপক, যা সরকার আঁচ করতে পারেনি। সরকার কতটা জনবিছিন্ন, তা এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত। সরকার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের জনগণের প্রতি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ও অহংকারী আচরণের চরম মূল্য দিতে হলো গোটা জাতিকে। এ ক্ষত কখনোই শুকানোর নয়।

সাধারণ মানুষ ক্ষমতা চায় না। তারা রাষ্ট্রের কাছে স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চায়, সন্তান-সন্ততি নিয়ে আনন্দে বাঁচতে চায়, শিক্ষা চায়, কাজ চায়, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ চায়, কথা বলা-লেখা ও ভোটের অধিকার চায়। কোটা সংস্কার আন্দোলন রাজনীতি সচেতন শিক্ষার্থীদের অরাজনৈতিক একটি আন্দোলন। এর মধ্যে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব খোঁজা মানেই এই আন্দোলনকে ছোট করে দেখা। মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে হিসেবের মধ্যে না নেওয়া। এই আন্দোলনের ছাত্রদের আকাঙ্ক্ষাকে পাত্তা না দিয়ে ক্ষমতার দম্ভে সরকার দেশের অধিকাংশ জনগণকে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। চাটুকার, দালাল, দুর্নীতিবাজ, খুনি, মাস্তান, ভূমিদস্যু, সর্বোপরি জনগণের ট্যাক্সের টাকায় প্রতিপালিত রাষ্ট্রীয় পেটোয়াবাহিনী ও গোয়েন্দাদের ওপর সরকার ভরসা করেছে।  

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয় ১ জুলাই। ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ঘিরে সরকারের হেলমেট বাহিনীকে ছাত্রদের ওপর লেলিয়ে দেওয়ার পর বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে প্রায় সারা দেশে। ছাত্রদের বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি, কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক ও সচেতন সাধারণ মানুষের সাড়া ছিল অভূতপূর্ব। ১৬ জুলাই সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিতে গেলে সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। ওই দিনই পুলিশ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ। দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ৫ জন ছাত্রের মৃত্যু ঘটে। ১৭ জুলাই পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলে। তখনো মৃত্যু ঠেকানো যেত। কিন্তু সরকার সে পথে না গিয়ে ছাত্রদের আবারও আইন-আদালত দেখানোর ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সবচেয়ে বেশি হত্যার ঘটনা ঘটে ১৮ জুলাই। একের পর এক শিশু, শিক্ষার্থী, ছোট ব্যবসায়ী, পথচারীর মৃত্যুর খবরে গোটা জাতি হতবিহ্বল হয়ে পড়ে।

কোটা সংস্কারের বিষয়টি রাজনৈতিক, যা নির্বাহী বিভাগের এক্তিয়ারভূক্ত হওয়া সত্ত্বেও সরকার আন্দোলনকারীদের বারবার আদালত দেখানোয় সংকট ঘনীভূত হয়েছে। কোটা বিষয়ে আপিল বিভাগের রায়ের মধ্য দিয়ে আদালত এটা স্পষ্ট করেছেন যে, কোটা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া পুরোপুরি সরকারের নীতিনির্ধারণী বিষয়। আদালত বলেছেন–‘অত্র নির্দেশনা ও আদেশ প্রদান সত্ত্বেও সরকার প্রয়োজন ও সার্বিক বিবেচনায় এই আদালত কর্তৃক নির্ধারিত কোটা বাতিল, সংশোধন বা সংস্কার করতে পারবে।’ উচ্চ আদালতের এই রায়ের পর কোটাসংক্রান্ত সবকিছুই এখন নির্ভর করছে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর। কারণ, আদালত যে কোটা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, সরকার নিজের মতো পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে।

উল্লেখ্য, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরাও সরকারের কাছ থেকেই কোটার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রতিশ্রুতি ও সিদ্ধান্ত চেয়ে আসছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এমন একটি জায়গায় আসার আগে অসংখ্য প্রাণ ঝরে গেল এবং দেশ এখন এক নজিরবিহীন সংকটের কবলে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সরকারের প্রতি যে আহ্বান জানিয়েছেন, সেখানে সরকারের ভূমিকাই প্রধান। গত কয়েক দিনে যে ক্ষত তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল। এই বিভৎস হত্যাকাণ্ডের পর কীভাবে অহিংস পথে মানুষের ক্ষোভ নিরসন করা যায়, সে পথ খুঁজে বের করার দায়িত্বও ছিল সরকারের।

তবে এখন পর্যন্ত সরকার সে পথে হাঁটছে বলে মনে হয় না। মূল সংকটের কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা না করে পুরোনো কায়দায় বিএনপি-জামায়াতের ওপর দোষ চাপিয়ে, হঠাৎ করে জামায়াত ইসলামকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে সরকারের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। যে ঘটনা সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে, তার দায় এড়ানোর এ কৌশলে সমস্যা আরও জটিল হবে। সরকারকে সমালোচনা গ্রহণ করে আত্মসমালোচনা করতে হবে। বিষয়টি রাজনৈতিক, এর সমাধান হতে হবে রাজনৈতিকভাবে; অর্থাৎ, আলোচনার টেবিলে। আন্দোলনকারী ছাত্রদের বা যারাই কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে, তাদের ডিবি হেফাজতের নামে তুলে নিয়ে নির্যাতন, কথায় কথায় রাজনৈতিক নেতাদের তুলে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিকদের নির্যাতন করে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নামে হাজার হাজার মামলা–এটা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না।

এত বড় ঘটনার পর আপিল বিভাগের রায়ের পর ছাত্ররা সরকারকে নয় দফা দাবি জানিয়েছিল। যেখানে এই সকল হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, নিহতদের পরিবারে আর্থিক সহায়তাসহ আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তার দাবি রয়েছে। ছাত্রদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে যখন সরকারের উচিত তাদের সাথে আলোচনায় বসা, সরকার তখন তা না করে আন্দোলনের ছয়জন সংগঠককে হাসপাতাল ও বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ডিবি হেফাজতের নামে আটকে রাখল। তাদের দিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা পাঠ করাল। প্রতি রাতে বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে ব্লক রেইড করে ছাত্রদের শরীরে দাগ খুঁজে আটক করা হচ্ছে। ৩১ জুলাই সারা দেশে ছাত্রদের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে ব্যাপক ধরপাকড়ের ঘটনা ঘটে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তাদের এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে এখনো অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও বাড়াবাড়ি করছে। তাদের রুঢ়তা, বর্বরতা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করে, ধমক দিয়ে, নির্যাতন করে মামলা দিয়ে জনজীবন অস্থির করে আপাত সমাধান খুঁজলে খুব ভুল হবে। যে আগুন মানুষের বুকে জ্বলছে তাকে আরও তাতিয়ে দেওয়া হবে।

এ অস্থিরতা কারও কাম্য হতে পারে না। সরকারের উচিত অবিলম্বে পরিবেশ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া। কোনো রকম ছলচাতুরির আশ্রয় না নিয়ে খোলা মনে আন্তরিক আলোচনার আয়োজন করা। ক্ষমতা চিরস্থায়ী বিষয় নয়। সময় বয়ে যাচ্ছে। মনের চাপা আগুন দীর্ঘ সময় মানুষ আটকে রাখতে পারবে না। আবার অগ্ন্যুৎপাত ঘটবে। সরকার এই আন্দোলনে সম্পদ ধ্বংসের আলোচনাটি প্রথম থেকেই ফোকাসে আনছে। এই আন্দোলনে যে সম্পদ ধ্বংস হয়েছে, জনগণের করের টাকায় তৈরি এ সম্পদ  মেরামত করা যাবে। কিন্তু কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও একটি প্রাণও কি আমরা ফেরত পাব? মানুষের প্রাণের চেয়ে মূল্যবান সম্পদ তো আর কিছু হতে পারে না। আমরা আর কোনো রক্তপাত, আর কোনো প্রাণহানি চাই না। গোটা জাতি এখন শোকাবহ জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের ট্রমার মধ্যে বসবাস করছে। সরকার যত তাড়াতাড়ি এ বাস্তবতা অনুধাবন করতে পারবে, ততই মঙ্গল।

সুতপা বেদজ্ঞ: লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মী

[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]

বাঙালি নারীর অসীম সাহসিকতা, দেশপ্রেম, আদর্শ আর বিপ্লবের কথা যখন লেখা হয় সবার আগে আসে প্রীতিলতার নাম। শিল্পী, শিক্ষিকা, দার্শনিক, এবং নারীর আত্মমর্যাদার প্রতীক প্রীতিলকার জীবন গল্প আমাদের শেখায়,...
‘বাড়ির কাছে আরশী নগর, আমি একদিনও না দেখিলাম তারে’–এই পঙ্‌ক্তিটি যখন ফরিদা পারভীনের কণ্ঠে ধ্বনিত হতো, তখন সেটা শুধু সুর নয়, ছিল আত্মার এক নিঃশব্দ আকুলতা। লালনের সহজিয়া দর্শনকে হৃদয়ে ধারণ করে যিনি...
নেপালসহ দেশে দেশে সরকার পতন ও এরপরের ‘খিচুড়ি’ হয়ে যাওয়া পরিস্থিতিতে সেসব অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো না হয় ‘ডাল’ আর ‘চাল’-এর ভূমিকা নিয়েছে। আগুন হিসেবে কাজ করেছে জেন জি-র ক্ষোভ। কিন্তু খিচুড়ি রান্নার...
‘বিপ্লব, নাকি করপোরেট শক্তির খেল’–প্রশ্নটা আজ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির সামনে এক বিরাট ধাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চার বছরের মধ্যে ভারতের তিন প্রতিবেশী দেশ–শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং নেপাল–গণআন্দোলনের জেরে...
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই টানটান উত্তেজনা, শেষ মুহূর্তের নাটক, আর কোটি ভক্তের স্বপ্নপূরণ। কিন্তু এর উল্টো পিঠটাও বড্ড নিষ্ঠুর। সেমিফাইনালের মহারণ শেষে আজ রাত ৩টায় আমেরিকার মায়ামিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী...
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই ম্যাচ খেলতে তাদের তেমন কোনো আগ্রহ নেই। তবে জাতীয় দলের দায়িত্বের...
গত বছরের ২৭ মে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী। আরও গ্রেপ্তার হয় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোল্লা মাসুদ, শ্যুটার আরাফাত ও শরীফ। ২৪ এর ৫ আগস্টের পর একের পর এক হত্যাকাণ্ডে...
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে আন্তর্জাতিক মানের ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর