পাঁচ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরছেন বলিউড তারকা সাইফ আলি খান। ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার পর তাঁকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ছাড়পত্র পেলেন তিনি। সকাল থেকেই সেখানে তাঁর কাছে রয়েছেন মা শর্মিলা ঠাকুর ও স্ত্রী কারিনা কাপুর খান।
তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর, এখনই বাড়ি ফিরছেন না অভিনেতা। বরং আপাতত সপরিবারে থাকবেন বান্দ্রারই আরেকটি ফ্ল্যাটে, যেখানে সাইফ-কারিনা ২০২১ সাল পর্যন্ত থাকতেন।
কারিনার দ্বিতীয় সন্তান জেহর জন্মের পর বান্দ্রার ‘সৎগুরু শরণ’ আবাসনে উঠেন এই তারকাদম্পতি। যেখানে ব্যক্তিগত সুইমিং পুল, শরীরচর্চার জন্য জিম ও দুই ছেলের উপযুক্ত ঘর রয়েছে।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সেই বাড়িতে ঢুকেই সাইফের ওপর আক্রমণ করে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। এই দুর্ঘটনার পরই উঠে আসে অভিনেতার নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন। জানা গেছে, ওই আবাসনের মূল ফটকের সিসি ক্যামেরা সক্রিয় ছিল না। তাই নতুন কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নয় নবাব পরিবার। এই মুহূর্তে সৎগুরু শরণ আবাসনের নিরাপত্তা বাড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সাইফের মেরুদণ্ডে ছুরির আঘাত লেগেছিল। ছ’টি জখম থাকায় অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে আরও কিছুদিন অভিনেতাকে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।
এদিকে, সাইফের ঘটনায় অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম শেহজাদ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। সংশ্লিষ্ট তদন্তকারীদের দাবি, এই শরিফুল বাংলাদেশি নাগরিক। চুরি করাই ছিল উদ্দেশ্য। কিন্তু বাধা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাইফের ওপর আক্রমণ করেন তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি


সাইফের ‘আক্রমণকারী’কে ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে উত্তাপ
সাইফের আক্রমণকারীকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় পর্যায়ের কুস্তিগীর’ বলে দাবি পুলিশের
