একযুগের বেশি সময় আগের ঘটনা। জেলা শহরে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাকল্পে পরিচালিত একটি সংগঠনের শাখা কমিটি হবে। অনেক আলোচনা-পর্যালোচনা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বাছাই কমিটির সদস্য হয়ে গেলাম। সদস্যদের সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা এল এবং সময়ের ব্যবধানে কমিটির প্রধানের দায়িত্ব অর্পিত হলো আমার ওপর। দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় হঠাৎ করেই এক পরিস্থিতিতে জানা যায় আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমন কমিটিতে কাজ করার উপযুক্ত নয়। গ্রাম বাংলায় একটা কথা আছে–মূর্খ। প্রকৃতই মুর্খ। মূর্খ বলেই পদে পদে আটকে যাই। আজও যেমন আটকে আছি আমাদের ভাষা সংগ্রাম কীভাবে ভাষা আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়ে গেল, সে প্রশ্নে।
একটা সংগ্রামে কতটা অর্জন হলে তাকে আন্দোলনে পরিণত করা যায়। এটা যদি আজ বুঝতে পারতাম, তাহলে ভাষা সংগ্রামের অর্জনকে নিয়ে নিজের মনের বিরোধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারতাম। বাংলা ভাষার আজকের অবস্থানে নিজেকে সন্তুষ্ট রাখতে পারতাম। অমর একুশ আজ শহীদ দিবস হয়ে গিয়েছে, আর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্ববাসীর সাথে পালিত হচ্ছে। ভোরে খালি পায়ে দল বেঁধে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’–প্রভাত ফেরির কথা ইতোমধ্যেই আমরা ভুলতে বসেছি। তবে গানটি এখনও মাইকে শোনা যায়–এই যা ভরসা। স্বাধীনতা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার সম্মান দিয়েছে। কিন্তু ভাষা সংগ্রামের প্রায় ৭৩ বছরে বা স্বাধীনতা প্রায় ৫৩ বছরে বাংলা ভাষাকে আজও সর্বস্তরে প্রচলন এবং প্রাপ্য সম্মানের পূর্ণতা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মানে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। মাথার ওপর সংবিধান রেখে হাতে শিক্ষানীতি নিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে যে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, তাতে জনগণের মধ্যকার বৈষম্য ক্রমবর্ধমান। সাধারণ জনগণের জন্য শিক্ষার মাধ্যম বাংলা এবং বিত্তবান শ্রেণির জন্য ইংরেজি–প্রক্রিয়াটি চলমান। এখনো দেশে চাকরি, ব্যবসা, সবকিছুতে ইংরেজি অপরিহার্য ভাষা হিসেবে বিবেচিত। এতে করে দেশের বড় চাকরি ও ব্যবসা–বিত্তবান শ্রেণির সন্তানদের আয়ত্তে। সাধারণ জনগণের শিক্ষা ব্যবস্থায় বাঙালি বলে বাংলা, ইসলাম ধর্মাবলম্বী বলে আরবি এবং উন্নয়নশীল দেশের মানুষ হিসেবে ইংরেজি শেখানো হয়ে থাকে। তিনটি ভাষার চাপ সহ্য করে এগোতে গিয়ে প্রতিনিয়ত মুখ থুবড়ে পড়ছে প্রজন্মের উত্তরাধিকারেরা।

স্বপ্নে পাওয়া পরীক্ষা‑নিরীক্ষার চাপে পড়ে শিক্ষা ব্যবস্থার সিস্টেম লস হিসেবের বাইরেই থেকে যাচ্ছে। বিপরীতে ইংরেজি শিক্ষা আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যের বাইরে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বিদেশি পরিচয় পাওয়ার দৌড়ে বিদেশি আইনে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে। বিত্তবানদের সন্তানেরা এই শিক্ষার উপকারভোগী হওয়ায় সংশ্লিষ্টরা উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে দিন কাটিয়ে দিচ্ছেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় সন্তানদের উন্নত বিশ্বে পড়ানো বা পাঠানোর ব্যবস্থা, সুযোগ হলে দেশে ফিরে শাসক-শোষক হয়ে দেশের অর্থসম্পদ পাচার করে বিদেশে বসবাসের পাকাপাকি ব্যবস্থা করে রাখে যারা, দেশে এখন এই শ্রেণির মানুষদেরই জয়জয়কার। বাংলাদেশের সুখ-শান্তি ভোগের একচেটিয়া অধিকার তাদেরই।
বিদেশি ভাবধারায় শিক্ষিত শ্রেণি আজ বাংলাদেশ‑প্রেমী, বাংলাভাষা দরদি। সারা বছর যাই হোক ফেব্রুয়ারি মাস এলেই বাংলা ভাষার মহিমা প্রচারে নেমে পড়ে তারা। স্বদেশপ্রীতি আর বাংলা ভাষাপ্রীতি একাকার হয়ে যায়। সাধারণ মানুষকে অতীত ঐতিহ্যের গর্বে আত্মহারা করে দেয়। বাঙালির মাতৃভাষার জন্য আত্মত্যাগের মহিমাকে উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর করতে সারা বিশ্বে আজ ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের একটা প্ল্যাটফর্ম দেশের জনগণকে উপহার দেওয়া হয়েছে। এই প্রাপ্তির গর্বে-গৌরবে জাতি আজ ছাগলের তৃতীয় বাচ্চার মতো অকারণ পূলক বোধ করছে, আনন্দে আত্মহারা হয়ে শহীদ দিবস উদ্যাপন করছে।
সালাম-বরকত-জব্বার-রফিকের আত্মত্যাগে বাংলা ভাষার অর্জন সংবিধানে স্বীকৃতি। বাংলাদেশের অভ্যুদয় ভাষাভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে অঙ্গীকার ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার। বাংলাভাষা রাষ্ট্রভাষা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু রাষ্ট্রের ভাষা হয়নি। স্বাধীনতা যে সুযোগ সৃষ্টি করেছিল, তা আমাদের নিজেদের অযোগ্যতার কারণে গ্রহণ করা গেল না। সর্বস্তরে মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার ব্যর্থতার জন্য লজ্জিত হয়ে আত্মশোধনের গরজ অনুভব না করে নিজেদের আরও আত্মপ্রত্যয়ী শক্তিমান হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া সর্বব্যাপী চলমান। সারা বিশ্বে মাতৃভাষা কতটা মর্যাদাবান হলো, তা বিচারের আগে আমাদের নিজেদের অবস্থান বিবেচনার দাবি রাখে।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পার করেছি আমরা। ২১ ফেব্রুয়ারি পার করেছে ৭৩ বছর। আজ ২১ ফেব্রুয়ারির প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে আজও আমাদের উচ্চশিক্ষায় আর উচ্চ আদালতে বাংলা ভাষা স্বমর্যাদায় প্রতিষ্ঠা লাভে ব্যর্থ। আশ্চর্য হই, যখন শুনি আমাদের কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি ভাষা আজও অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে বহাল আছে। আগে শুনতাম পাঠ্যবইয়ের অভাব। গত ৭০ বছরেও দেশ এ সমস্যার সমাধান করতে পারল না। আর উচ্চ আদালতে বাংলা প্রচলনের সমস্যা ঠিক বুঝে উঠতে পারি না। তবে একটা বিষয় খুব পরিষ্কার আমাদের দার্শনিকরা মাতৃভাষায় নিজেদের মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন না। এটা যদি পারতেন, তাহলে কি উচ্চশিক্ষা আর উচ্চ আদালতে বাংলা ভাষা প্রচলনে সমস্যা হতো? সমস্যা সমাধানের ন্যূনতম কোনো প্রচেষ্টাও আমাদের মধ্যে দেখা যায় না।

আজও রাষ্ট্রপ্রধানদের অনুরোধ জানাতে হয় আদালতের রায় বাংলায় লেখার জন্য। এখানে আভিজাত্য প্রদর্শনের প্রতিযোগিতা চলছে। পাশাপাশি বাংলা ভাষাকে দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত করে তার সীমাবদ্ধতাগুলো প্রকাশের প্রচেষ্টাও আছে। ইতিহাস বিচারে বিষয়টি স্বাভাবিক। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রদানের দাবিতে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কর্তৃক পাকিস্তান গণপরিষদে আনীত প্রস্তাবের স্বপক্ষে উপস্থিত বাঙালি মুসলমান সদস্যরা কোনো কথা বলেননি। বরং কেউ কেউ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। সেই ধারাবাহিকতা থেকে মুক্তি ৫৩ বছরেও হলো না, আগামী কত দিনে হবে অনুমান করা কঠিন।
বছর বিশেক আগের কথা। ব্রিটেন প্রবাসী এক ভদ্রলোকের সাথে আলাপ। তিনি আমাদের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি জ্ঞান দেখে লজ্জা পান। তারা ইংরেজিতে কথা বলতে পারে না, উচ্চারণ যথাযথ হয় না। ইংরেজি জানা খুব জরুরি কিনা জানতে চাওয়ায় ভদ্রলোকের এক বিশাল বক্তৃতা শুনেছিলাম। বিশ্বব্যাপী প্রভাব, আন্তর্জাতিক ভাষা, ইত্যাদি, ইত্যাদি। অন্য বিতর্কে না গিয়ে একটাই প্রশ্ন রাখতে চাই–দেশের সব শিক্ষার্থীর জন্য ইংরেজিতে ব্যুৎপত্তি অর্জন আবশ্যক? আমাদের ভাষা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ–এ প্রশ্নের সমাধান করতে পারত। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে আজ ইংরেজি জ্ঞান বিচার করে শিক্ষার উচ্চতা মাপা হচ্ছে, চাকরি প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য করার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এখানে ইংরেজিতে কথা বলা বা বক্তৃতা করার ক্ষমতাকে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করা হচ্ছে। স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনভাবে সব সুযোগ ভোগে ইংরেজিকেই একমাত্র অবলম্বন করে ফেলা হয়েছে, যা আমাদের ভাষা সংগ্রামের সঙ্গে প্রকৃত অর্থে সাংঘর্ষিক। এই অবস্থা থেকে মুক্তির পথ বের করার দায়িত্ব যে রাজনীতির, যে রাজনীতি সাধারণ জনগণের জন্য ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগকে অন্ধকারের পথ থেকে আলোর পথে আনবে, তারাই আজ সব আলো নিজেরা দখল করে নিয়েছে।
বাঙালির একটা সুনাম আছে, তারা বিশ্বের যেকোনো ভাষা অন্য সবার থেকে তাড়াতাড়ি রপ্ত করতে সক্ষম। আমাদের মেধাবী সন্তানেরা বিশ্বের অনেক দেশে গিয়ে কয়েক মাসের মধ্যে তাদের ভাষা রপ্ত করে শিক্ষার সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে থাকে। এটা যদি সত্য বলে মানি, তাহলে আমাদের শিশু শিক্ষার্থীদের বিদেশি ভাষা শিক্ষা আবশ্যক কেন করা হয়? দেশে সবার জন্য বিদেশি ভাষা শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা থাকতে পারে না।
দেশ ও জাতির প্রয়োজন বিবেচনায় অল্প কিছু শিক্ষার্থী বা আগ্রহী কিছু শিক্ষার্থী বিশেষ ব্যবস্থায় বিদেশি ভাষা শিখে নিতে পারে। তাহলে আমাদের শিশু শিক্ষার্থীরা বিদেশি ভাষার চাপ থেকে মুক্তি পাবে। মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিয়ে মানসম্পন্ন শিক্ষায় নিজেদের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার সুযোগ পাবে। আর থাকে অগ্রসরমান বিশ্বের জ্ঞানবিজ্ঞানকে ধারণ করার ব্যবস্থা করা। এ ক্ষেত্রে সরকার উদ্যোগী হলেই একটা অনুবাদকের দল তৈরি করতে পারে, যারা প্রতিনিয়ত বিশ্বের জ্ঞান-বিজ্ঞানের অনুবাদ শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেবেন। এতে করে আমাদের শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষায় বিশ্বকে জানতে পারবে এবং নিজেদের যোগ্য করে তুলতে সক্ষম হবে।
দেশ ও জনগণের জন্য বাংলা ভাষার পরিবেশ ও পরিস্থিতি এমনটা হলেও বাংলা ভাষার উন্নয়নে আমাদের অবদানও নেহাত কম না! শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চোখ রাখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। উপরন্তু বাংলা একাডেমি বাংলা বানান সংস্কার করে ব্যবহারকারীদের জন্য পথকে আরো সুগম করে দিয়েছে। বাংলা উন্নয়ন বোর্ড বন্ধ হয়ে গেলেও বাংলা একাডেমি এ সংস্কারের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। কেন বাংলা একাডেমি কর্তৃক এ দায়িত্ব পালন করা হলো, তা সাধারণ মানুষ জানে না। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশ, মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইত্যাদি রথী-মহারথীদের বানান রীতি পরিবর্তন করার প্রয়োজনীয়তা বোধগম্য তো নয়ই বরং বলা চলে সনাতনী বানান রীতি পরিবর্তন করে বর্তমানে একটা হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি করা হয়েছে। মুক্তির জন্য কত বছর অপেক্ষা করতে হবে কে জানে? এই রীতি পরিবর্তন বাংলা ভাষাকে পিছিয়ে দিল কিনা, সেটাও ভেবে দেখা প্রয়োজন।
ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সম্মান জানাতে বাংলা ভাষাকে উপযুক্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। জাতিগত দায় মেটাতে আজ সাধারণ মানুষের সর্বক্ষেত্রে মাতৃভাষাকে অপরিহার্য করে তোলা হোক। শিক্ষা ও প্রশাসনের সর্বস্তরে বাংলা ব্যবহার নিশ্চিত করা হোক, বাধ্যতামূলক করা হোক। আর এ কাজগুলো করার জন্য অমর একুশে শহীদ দিবস নয়, রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হোক। রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালন করা গেলে ৫২-র ভাষা সংগ্রামের কথা জাতি স্মরণ করতে পারবে এবং তার লক্ষ্য‑উদ্দেশ্য পূরণে আন্তরিকভাবে উদ্যোগী হবে। অমর একুশে পালন সার্থক হবে। যদিও মূর্খের প্রলাপে সাধারণ মানুষের চাহিদাকে ফলপ্রসূ করতে পারবে–এমনটা আশা করা যায় না। তবে বাংলাভাষার ওপর একের পর এক করে দিনে দিনে তাকে যে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, তা থেকে মুক্তির জন্য ফেব্রুয়ারি প্রকৃত সময়। সমাজ সংস্কারের দায়িত্ব গ্রহণকারীরা বাংলা ভাষাকে আপন সম্মানে অধিষ্ঠিত করতে দায়িত্ববান হয়ে ব্যাপক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে অন্ধকার দূর করে আলোর বাংলাদেশ তৈরিতে নিবেদিত হবেন–এ আশায় থাকব।
লেখক: সাবেক সভাপতি, ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ
[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]


একুশে ফেব্রুয়ারি: বিভাজনটা ছিল আলোর সঙ্গে অন্ধকারের
ভাষিক জাতীয়তার সংকট
আ মরি বাংলা ভাষা
