প্রয়াত সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে তাঁর মরদেহ এখন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ। এরপর কুষ্টিয়ায় মা-বাবার কবরের পাশে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।
বিষয়টি গণমাধ্যমে জানিয়েছেন শিল্পীর মেজো ছেলে ইমাম নাহিল সুমন। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে ফরিদা পারভীনের মরদেহ নেওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে। সেখানে বাদ যোহর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

ইমাম নাহিল আরও জানান, ঢাকায় শেষ জানাজার পর মরদেহ নেওয়া হবে কুষ্টিয়ায়, সেখানে পৌর কবরস্থানে ফরিদা পারভীনকে সমাহিত করা হবে।
প্রসঙ্গত, বেশকিছু দিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন ফরিদা পারভীন। লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাঁকে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি সমস্যা, ডায়াবেটিসসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। চলতি বছরে তিন দফায় হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
সর্বশেষ গত ২ সেপ্টেম্বর ডায়ালাইসিস করাতে রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
ফরিদা পারভীনের জন্ম ১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়ায়। লালনের গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পেলেও ১৪ বছর বয়সে তাঁর পেশাদার সংগীতজীবনের শুরু হয়েছিল নজরুলসংগীত দিয়ে। ১৯৬৮ সালে তিনি রাজশাহী বেতারে শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। দেশাত্মবোধক গানের জন্যও তিনি জনপ্রিয় ছিলেন। সংগীতে অবদানের জন্য ফরিদা পারভীন ১৯৮৭ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।


ফরিদা পারভীন আর নেই
