আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যেকোনো প্রকার নির্বাচনী জালিয়াতিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে গণ্য করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ভোটগার্ড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। আজ রোববার এ সম্পর্কিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
বিবৃতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচনী জালিয়াতিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে বিবেচনা করার দাবি জানিয়েছে ভোটগার্ড ইন্টারন্যাশনাল। পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকারকে স্বাগত জানিয়েছে সংস্থাটি।
বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে সাংবিধানিক সংস্কার সংস্থা এবং আইনপ্রণেতাদের প্রতি দুটি দাবি জানিয়েছে ভোটগার্ড ইন্টারন্যাশনাল। প্রথমত, তত্ত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় নির্বাচনকালীন প্রশাসন সংক্রান্ত জুলাই জাতীয় সনদে উল্লেখিত বিধানগুলো অবিলম্বে বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
দ্বিতীয়ত, জাতীয় আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাচনী জালিয়াতিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক কাজ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করার দাবি জানিয়েছে ভোটগার্ড। এক্ষেত্রে আইনগতভাবে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখার কথা বলেছে তাঁরা।
আপাতত এই দুটি সংস্কার একত্রে সাংবিধানিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধার করতে পারে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে ভোটগার্ড। সংস্থাটি বিশ্বাস করে, এই দুটি সংস্কার বাস্তবায়ন হলে এটা নিশ্চিত করা যাবে যে, সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে জনগণের কর্তৃত্ব অর্থাৎ ভোটারদের শাসন সমস্ত রাজনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে থাকবে।
উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে ভোটারদের শাসন নিশ্চিত করতে কাজ করছে ভোটগার্ড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। নীতিনির্ধারক এবং আইনপ্রণেতাদের সুবিধার জন্য একটি খসড়া বৈশ্বিক মডেল আইন সরবরাহ করে থাকে ভোটগার্ড। এই মডেল আইনের অধীনে যেকোনো প্রকার নির্বাচনী জালিয়াতিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসাবে সংজ্ঞায়িত করার এবং সেরুপ শাস্তি প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।



