গতকাল (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন সিনিয়র সিটিজেনকে নিয়ে আচমকা ইডির দ্বারস্থ হন এই বিজেপি নেতা।
কলকাতার সংবাদমাধ্যম জি ২৪ ঘণ্টার তথ্য মতে, নুসরাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৪ সালে তার সংস্থা ৪২৯ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা করে নেয়। সব মিলিয়ে প্রায় ২৪ কোটি টাকা। তাদের মধ্যে ছিলেন একটি ব্যাংকের অবসর প্রাপ্ত কর্মচারীসহ বেশ কিছু চাকুরীজীবী। তাদের বলা হয়েছিল, তিন বছরের মধ্যে ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। কিন্তু প্রায় ১ দশক কেটে গেলেও তারা তাদের প্রাপ্য বুঝে পাননি।
শঙ্কুদেব জানান, প্রতারিতদের স্বার্থে ইডির কাছে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি এই পুরো ঘটনাটিকে আর্থিক দুর্নীতি বলে দাবি করেছেন। জানিয়েছেন, আদালতের তরফে নুসরাত জাহানকে এই মামলায় সশরীরে উপস্থিত হবার জন্য সমন পাঠানো হয়। কিন্তু তিনি একবারও উপস্থিত হননি।
জানা যায়, কলকাতার গড়িয়াহাট রোডে মেসার্স ৭ সেন্স ইনফাস্ট ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি আছে। সেটার ডিরেক্টর নুসরাত জাহান। সেই প্রতিষ্ঠান প্রায় ২৪ কোটি টাকা নিয়েছে। এমনকি সেই টাকা দিয়ে নুসরাত জাহান নিজে পাম এভিনিউতে ফ্ল্যাট কিনেছেন বলেও অভিযোগ। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি এই চিত্রনায়িকা।


রবিঠাকুরকে একা ছেড়ে দিন, অনুপম খেরের উদ্দেশে স্বস্তিকা
লাফিয়ে বাড়ছে রণবীর-আলিয়ার ছবির আয়
