ঘন কুয়াশার কারণে মেঘনা নদীতে গভীর রাতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৪ জন যাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। গতকাল ২৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ২টার পর চাঁদপুরের হাইমচরের হামিদচর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভোলার ঘোষেরহাট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা অভিমুখী এম.ভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি রাত ২টার পর হাইমচর এলাকা অতিক্রম করছিল। এ সময় নদীতে প্রচণ্ড কুয়াশা থাকায় দিক নির্ণয় করতে না পেরে ঢাকা থেকে আসা বরিশালগামী এম.ভি অ্যাডভেঞ্চার- ৯ লঞ্চটির যাথে সজোরে ধাক্কা লাগে।
যাত্রীরা জানান, দুর্ঘটনার পর মাঝ নদীতে ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চটি যখন ডুবো-ডুবো অবস্থায় ভাসছিল, তখন ভোলা থেকে ঢাকাগামী অপর একটি লঞ্চ এম.ভি কর্ণফুলী- ৯ দ্রুত এগিয়ে আসে। তারা অনেক যাত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। আর যাত্রীদের মরদেহ এবং গুরুতর আহত যাত্রীদের নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটিও ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক বাবু লাল বৌদ্ধ জানান, ‘রাতে দুর্ঘটনার খবর শুনেছি, দুজন মারা গেছে। দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চ দুটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।’
অপরদিকে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ শেষ করে চাঁদপুরে ফেরার পথে ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে ইমাম হাসান-৫ নামে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ। গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীর মোহনপুর এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বালুবাহী বাল্কহেডের সাথে ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে কেউ হতাহত হয়নি।



