নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ ডিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগুনে একটি শ্রেণিকক্ষের ভেতরে থাকা সব আসবাব পুড়ে গেছে। রোববার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বকশিরহাট এলাকার স্কুলটিতে এ আগুন লাগে।
স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে, সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
বিদ্যালয়ের পাশে একই কম্পাউন্ডে অবস্থিত অপর একটি বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নুরুল কাউছার জানান, বিকেল ৫টার দিকে আগুন লাগান খবর পেয়ে তিনি প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকদের বিষয়টি জানান। একই সময় স্থানীয় বকশিরহাট বাজার থেকে মানুষ এসে বিদ্যালয়ের মাঠে থাকা বালু ও পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শিক্ষক মো. নুরুল কাউছার আরও জানান, আগুনে বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের নিচতলার একটি শ্রেণিকক্ষের ভেতরে থাকা ১৪ জোড়া বেঞ্চ, তিনটি বৈদ্যুতিক পাখা, শিক্ষকদের বসার চেয়ার ও সামনের টেবিল সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এছাড়া আগুনের ধোঁয়ায় আশপাশের শ্রেণিকক্ষগুলো কালো হয়ে গেছে।
পুড়ে যাওয়া শ্রেণিকক্ষের দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছে উল্লেখ করে নুরুল কাউছার বলেন, ‘এই ভবন এবং তাদের বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। তবে একই কম্পাউন্ডের ভেতরের বীজবাগ এন কে উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।’
সেনবাগ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. ইলিয়াছ বলেন, ‘রোববার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে বিদ্যালয়ে আগুন লাগার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক সেখানে যাই। আগুনে বিদ্যালয় ভবনের একটি কক্ষের ভেতরের আসবাব সবকিছু পুড়ে গেছে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই ভবনে বিদ্যুতের সংযোগ ছিল এবং ঘটনার সময় বিদ্যুৎ লাইন চালু ছিল।’
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, ‘বিদ্যালয় ভবনের একটি কক্ষে আগুন লেগেছিল। কিন্তু আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়নি। শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার আশঙ্কা রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।’



