টানা বর্ষণে ৩ পার্বত্য জেলায় পাহাড়ধসের শঙ্কা

টানা বর্ষণে বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিন জেলায় পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে কয়েক হাজার পরিবার বসবাস করছে ঝুঁকি নিয়ে। তাদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করছে প্রশাসন। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এদিকে, বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম

টানা বর্ষণে বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিন জেলায় পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে কয়েক হাজার পরিবার বসবাস করছে ঝুঁকি নিয়ে। তাদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করছে প্রশাসন। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এদিকে, বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বান্দরবানের পাহাড়। আকাশে ঘন মেঘ, আতঙ্ক বাড়িয়েছে পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে বাস করা মানুষের। বান্দরবান শহরের ইসলামপুর, কালাঘাটা, বনরূপা, কাশেমপাড়া, লেমুঝিরি পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কেটে কিংবা পাহাড়ের গা ঘেঁষে আছে করা হয়েছে বসতি। জীবনের ঝুঁকি জেনেও জীবিকার তাগিদে এখানে বসবাস করার কথা জানান বাসিন্দারা।

পাহাড়ের বাসিন্দা এক গৃহবধূ বলেন, ‘পাহাড় ধস দেখেছি। আর একটু হলে আমার গায়ে পড়ত। বাসায় কেউ ছিল না, আমরা মহিলা দুইজন ছিলাম।’

আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমাদের বৃষ্টির দিনেও থাকতে হয়, পাহাড় ধসের সময়ও থাকতে হয়। আমরা নিম্ন আয়ের মানুষ যাবো কোথায়?’

টানা বৃষ্টিতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বান্দরবানের পাহাড়। ছবি: ইনডিপেনডেন্ট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আরও দু-এক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বৃষ্টি। তাই পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে নিরাপদে সরাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন।

বান্দরবান পৌরসভার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পৌর প্রশাসক এস.এম. মনজুরুল হক বলেন, ‘পাহাড়ের পাদদেশে যারা বসবাস করছেন তাদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। না হলে তাদের জীবনের জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সে ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আমরা তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা নেব।’  

একই চিত্র খাগড়াছড়িতেও। শালবন, কুমিল্লাটিলা, সবুজবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় ধসের শঙ্কায় রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবার। তাদের নিরাপদ স্থানে যেতে আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

খাগড়াছরির এক বাসিন্দা বলেন, ‘পাহাড়ে বসবাস না করার জন্য সরকার নিয়মিত মাইকিং করছে। কিন্তু তারপরেও মানুষ জীবনের তাগিদে বসবাস করছে।’ 

আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘সমতলে ভুমি কম থাকার কারণে আমরা পাহাড়ের কিনারে আমাদের বাড়িঘর করতে হয়।’ 

ঝুঁকি নিয়ে পাাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে মানুষ। ছবি: ইনডিপেনডেন্ট পাহাড়ধসের শঙ্কায় রাঙামাটির ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করেছে জেলা প্রশাসন। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় ৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে সোমবার সকাল থেকে শহরের শিমুলতলী এলাকাসহ কয়েকটি এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য মাইকিং করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।

রাঙামাটি সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসলাম সারোয়ার বলেন, ‘টানা বর্ষণ শুরু হলেই আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের জীবন রক্ষায় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য প্রচারণা করি এবং তারা যাতে বর্ষণ শুরু হলে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে অবস্থান না করার আহ্বান জানাই। আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।’

পঞ্চগড়ের সাতমেরায় চা নার্সারিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান। কৃষিশ্রমিক থেকে বেকার যুবক, ক্ষুদ্র কৃষক এমনকি শিক্ষার্থীরাও যুক্ত হচ্ছেন চায়ের চারা উৎপাদন ও পরিচর্যায়। চায়ের চারার বাড়তি চাহিদা...
মাদক ব্যবসায়ীদের ধাওয়া দিয়ে ভুলে সীমান্ত পার হওয়া দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। দেবিদ্দার- ব্রাহ্মণপাড়া সার্কেল এএসপি মো. শাহিন  বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সাজেক ভ্রমণ পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাজেক আসতে শুরু...
ঢাক-ঢোল ও কাঁশি-সানাইয়ের বাদ্য-বাজনা ছাড়া পূর্ণতা পায় না শারদীয় দুর্গাপূজা। পূজার প্রতিটি পর্বে তাই চাই ঢাকের গর্জন, চাই সুরের আবহ। এই প্রয়োজন থেকেই প্রতি বছরের মতো এবারও কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, সংবিধান দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও উৎসব পালনের শতভাগ অধিকার দিয়েছে। তাই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনে কোনো দুশ্চিন্তা বা শঙ্কার...
রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রসংস্কারের যে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর