চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণের অপেক্ষায় দুর্গতরা। ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় পর্যাপ্ত সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ বানভাসী মানুষের। সরকারি সংস্থার পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণ করছে বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থাও। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হওয়ায় দুর্গম অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে তাদের।
ভারী বৃষ্টিতে এখনো তলিয়ে আছে চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, আনোয়ারা, লোহাগাড়া উপজেলার মূল সড়ক ও বাড়িঘর থেকে পানি নামলেও বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্য ও শুকনো খাবারের দেখা দিয়েছে সংকট।
প্রান্তিক এলাকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ বানভাসী মানুষেরর। যদিও দুর্গম এলাকায় সহায়তা পৌঁছাতে ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। কক্সবাজারে বন্যাকবলিত এলাকায় সরকারি উদ্যোগে ত্রাণ দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য বলছেন দুর্গতরা।
বান্দরবান জেলা শহরের নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচিতে যোগাযোগ স্বাভাবিক না হওয়ায় দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে প্রশাসনরে। এদিকে আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে থাকা অনেকেরই অভিযোগ ত্রাণ না পাওয়ার।
ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন জানান, খাগড়াছড়ির জন্য এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে ৮০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনেরর পাশাপাশি ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। যতদিন প্রয়োজন ততদিনই সহায়তা কার্যক্রম বহালের আশ্বাস ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রীর।
দুর্গম দুর্গত এলাকায় মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি। এছাড়া রাঙামাটির দুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও সহায়তার আশ্বাস সরকারের।



