দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাটের বড় দুটি মামলা নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে একটি মামলায় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
দুদকের মুখপাত্র ও উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, দ্রুতই সাকিবসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।
মামলাটিতে সাকিবের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে অনিয়ম ও কারসাজির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে ২৫৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে।
দুদকের মুখপাত্র মো. আকতারুল ইসলাম জানান, সাকিব আল হাসানসহ মামলার ১৫ আসামির বিরুদ্ধে দ্রুতই আদালতে অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করা হবে।
এর আগে ২০২৫ সালের জুনে দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে এই আলোচিত মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
এদিকে, মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোল আদায়ের নামে ৩০৯ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে নথিপত্র তলব করে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।
বিগত সরকারের আমলে দরপত্রে কারসাজি এবং নির্দিষ্ট অর্থের পরিবর্তে ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জের বিতর্কিত চুক্তি অনুমোদন দিয়ে এই বিপুল পরিমাণ টাকা লোপাট করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।



