রোমাঞ্চপ্রিয় পর্যটকদের জন্য খাগড়াছড়ির হর্টিকালচার পার্কে চালু করা হয়েছে জীপলাইন ও আধুনিক জায়ান্ট সুইং। জেলা পরিষদের প্রত্যাশা প্রথমবারের মতো চালু হওয়া আউটডোর রাইড দুটিতে ভিন্নধর্মী রোমাঞ্চের অভিজ্ঞতা পাবেন পর্যটকরা। আর আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে জীপলাইন ও জায়ান্টসুইং স্থাপন করা হয়েছে বলে জানায় নির্মাণ সংস্থা।
স্বচ্ছ জলের লেক আর অদূরে সবুজে ঘেরা আলুটিলা পাহাড়, প্রকৃতির এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। ঝুলন্ত সেতু আর লেকে নৌকা ভ্রমণেই সীমাবদ্ধ ছিল পর্যটকদের বিনোদন।
খাগড়াছড়ি হর্টিকালচার পার্কে ঘুরতে আশা পর্যটকদের বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে জীপলাইন ও জায়ান্টসুইং।
ঘুরতে আসা এক পর্যটক জানান, জীবনে প্রথমবারের মতো জীপলাইন করলাম খুবই ভালো লাগছে। এরকম আগে কখনো করি নাই। দারুণ অভিজ্ঞতা।
সর্বপ্রথম পর্যটকদের নিরাপত্তা। এ বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে আউটডোর রাইড দুটি স্থাপনের কথা জানান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
ওয়েল্ডারনেস বিডির প্রতিষ্ঠাতা সাদাব ইয়াসির বলেন, ‘আমরা এখানে যেসব এক্টিভিটি স্থাপন করা হয়েছে তা ইন্টারন্যাশনাল মানের। হয় ইউরোপ না হয় আমেরিকার তৈরি।’
এই উদ্যোগে পাহাড়ের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরির আশা প্রশাসনের।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, ‘আপাতত আমরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এটা পরিচালনা করে হবে। এর মধ্য দিয়ে পর্যটকেরা নতুন অভিজ্ঞতা পাবে।’
খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে জীপলাইন ও জায়ান্টসুইং স্থাপন করা হয়েছে। এতে ইউরোপে তৈরি বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করায় পর্যটকেরা নিবিঘ্ন এসব এক্টিভিটি উপভোগ করতে পারবে।’
৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক জিপলাইন ও জায়ান্ট সুইং রাইডে চড়তে রোমাঞ্চপ্রিয় পর্যটকদের ব্যয় করতে হবে জনপ্রতি ১০০ টাকা ও ৭০ টাকা।



