বৃহস্পতিবার ছিল ২৯ ফেব্রুয়ারি। চার বছর পরপর এ দিনটি আসে। এ কারণে লিপ ইয়ার আলাদা আমেজ নিয়ে আসে। এবারও এসেছিল। লিপ ইয়ার হিসেবে বেইলি রোডের ওই ভবনে থাকা রেস্টুরেন্টগুলোতে চলছিল বিশেষ অফার। সেই অফারে খেতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত পুড়ে মরতে হলো ৪৪ জনকে।
বেইলি রোডের বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৪ জন নিহত হয়েছে বলে সাংবাদকিদের জানয়িছেনে পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। নিহতদের মধ্যে দুজনের মরদেহ এখন পর্যন্ত শনাক্ত করা গেছে। অনেকের খোঁজে ছুটছেন স্বজনেরা।
বহুতল ওই ভবনটিতে ছিল বেশ কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে কাপড়ের দোকান, রেস্টুরেন্টসহ নানা ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল। লিপ ইয়ার হিসেবে ভবনটিতে থাকা রেস্টুরেন্টগুলোতে চলছিল বিশেষ অফার। কেনাকাটার পর প্রিয়জনদের নিয়ে অনেকেই সেই অফারে আকৃষ্ট হয়ে খেতে গিয়েছিলেন সেখানে। এমন অনেককেই সেখানে পুড়ে মরতে হলো।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকাটিতে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার মোতায়েন রয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৪ জন নিহত হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ৪৩ জনের নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। দগ্ধ হয়ে আরও অনেকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ৪৩ জন নিহতের কথা জানান। এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৩ জন, শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ১০ জন এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ১ জন নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা অনেক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


বেইলি রোডের আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪
একমাত্র সরু সিড়িতেও রাখা ছিল গ্যাসের সিলিন্ডার
