প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে ঈদের আগের দিনও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকেই। আজ বুধবার সকাল থেকে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে দেখা গেছে স্বাভাবিক বাস চলাচল। ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ মিলিয়ে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার একটু বেশি ছুটি পেয়েছেন চাকরিজীবীরা।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সকাল থেকে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীর চাপ কিছুটা কম। বেশিরভাগ বাসই নির্দিষ্ট সময়ে ছাড়লেও উত্তরবঙ্গের বাসগুলোতে দেরি হচ্ছে। অনেক রুটে দ্বিগুণ-তিন গুণ বেশি ভাড়া নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
যাত্রীরা বলছেন, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে পরিবহনগুলো।
রংপুরের উদ্দেশ্যে বের হওয়া আট সদস্যের এক পরিবার ঈদের অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করেনি। এখন বাড়ি ফিরতে গুনতে হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ টাকা। পরিবারটির এক সদস্য বলেন, ‘গতকালও এসেছিলাম। কিন্তু টিকিটের দাম বেশি চাওয়ায় যাইনি। আজ আবার এলাম। পরিস্থিতি একই।’
বাস ভাড়া নিয়ে অনিয়ম ঠেকাতে গাবতলীতে কাজ করছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভিজিলেন্স টিম। তবে তারা এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পাননি বলে জানিয়েছেন।
এদিকে শেষ মুহূর্তে টিকিট কিনে ট্রেনে বাড়ি ফিরছেন অনেকেই। মঙ্গলবারও উপচে পড়া ভিড় ছিল উত্তরাঞ্চলগামী ট্রেনে। যাত্রী চাপের কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে যায় অনেক ট্রেন। বগিতে জায়গা না পেয়ে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ভ্রমণ করেছেন ছাদে।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রেলে ঘরমুখী মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্টেশনে গোয়েন্দা কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। এ ছাড়া ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকায় অপরাধপ্রবণ এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।
সদরঘাটের লঞ্চঘাটে ছিল চিরচেনা ভিড়। লঞ্চ যাত্রীদের অভিযোগ, একদিকে গাদাগাদি করে যাত্রী তোলা হচ্ছে, অন্যদিকে ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে বেশি।



