গণমাধ্যম কর্মীদের মিসইনফরমেশন এবং ডিসইনফরমেশন সম্পর্কে সবসময় সচেতন থাকতে হবে। সম্প্রতি ইন্সটিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশন -আইজিসিএফ আয়োজিত সাংবাদিকতার ওপর দুদিনব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আলোচকেরা এ কথা বলেন।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতা ও অ্যাক্টিভিজম সম্পূর্ণ আলাদা। সাংবাদিকতা হলো সম্পাদিত তথ্যের নির্মোহ প্রকাশ। আর অ্যাক্টিভিজম হলো নিজের মতাদর্শ দিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করা।
রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। আইজিসিএফ তার ইয়্যুথ স্কিল ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচির আওতায় এই কর্মশালার আয়োজন করে। উদ্ভাবনী ও গবেষনাধর্মী কাজের মাধ্যমে তরুণদের ক্ষমতায়ন ও বিশ্বমানের নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে চলতি বছর আইজিসিএফ যাত্রা শুরু করে।
আইজিসিএফ এর নির্বাহী পরিচালক শামা ওবায়েদের স্বাগত বক্তব্যের পর কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে ইউনিসেফ বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ারস। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, ইউনিসেফ বাংলাদেশের চীফ অব কমিউনিকেশনস মিগুয়েল ম্যাথুয়েস মুনুজ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নুরুল করিম ভুঁইয়া ও সাংবাদিক শাহেদ আলম।
দুইদিনব্যাপী কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের ডেপুটি হেড অব মিশন ম্যারিয়ানে রাবে নাবেলশ্রুড।আইজিসিএফ চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে সনদপ্রদান অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়ক কর্মকর্তা আনিস মাহফুদ ও আইজিসিএফ সদস্য ইমামুল হক শামীম। এসময় আইজিসিএফ সদস্য ইব্রাহিম সুফি, মুশফিক হাসান মুনিম ও জাওয়াদ আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।



