গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে মোখলেস মোল্লা (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। বুধবার সন্ধ্যায় কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের তারাইল এলাকায় এ ঘটনা হয়।
নিহত মোখলেস মোল্লা ওই উপজেলার তারাইল পূর্বপাড়া গ্রামের কালা মিয়া মোল্লার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় মোখলেস মোল্লা তারাইল বাজার থেকে সাকিব নামে স্থানীয় এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে স্থানীয় নাজির কাজীর মোড় এলাকায় পৌঁছালে ৪/৫ দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। তারা মোটরসাইকেলের চালক সাকিব ও আরোহী মোখলেস মোল্লাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে সাকিব পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও দুর্বৃত্তরা মোখলেসকে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
পরে পরিবার লোকজন ও স্থানীয়রা মোখলেসকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মেজভাই কেরামত আলী মোল্লা বলেন, ‘সাগর কাজী,মেজবাহ, বিনাদোষে মফিজ ও রফিজ আমার ভাইকে রামদা, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে ফেলে রেখে যায়। আমার ভাই গরীব মানুষের পক্ষে কথা বলে বিধায় এভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। আমার ভাইকে যারা কুপিয়ে মেরেছে তাদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসি চাই।’
এদিকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক এ কে এম সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে মোখলেস মোল্লা নামে এক ব্যক্তিকে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয় তার।’
এ ব্যাপারে কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’



