দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে ভুক্তভোগীর পরিবারের আপসনামা আদালতে দাখিল করা হয়েছে। তবে এটি আদালত আমলে নেননি বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী।
বুধবার সকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সেফাতুল্লাহের আদালতে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন শুনানি হয়। আদালত বয়স ও নারী বিবেচনায় শুধু মাকছুদার জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামের ৪ দিন এবং মাকছুদা ইসলামের একদিনের রিমান্ড দেন আদালত। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলের আরও ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। দুই দফায় ৮ দিনের রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
২০ সেপ্টেম্বর সংসদ ভবনের উল্টো দিকে ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রাতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। ওই রাতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, মাকছুদা ইসলাম ও ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।


