ভবন নির্মাণের আট বছর পরও চালু হয়নি মেহেরপুর নার্সিং কলেজ। হস্তান্তর জটিলতা, জনবল অনুমোদন ও নার্সিং অধিদপ্তরের অবহেলায় চালু করা যাচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি। জেলায় স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে দ্রত কলেজটি চালুর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। এদিকে দ্রুত চালু করার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলছে, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে।
২০১৭ সালে মেহেরপুর নার্সিং ট্রেনিং কলেজের ভবন নির্মাণের অনুমতি মিললেও কাজ শুরু হয় পরের বছর। দফায় দফায় সাত বার সময় বাড়িয়ে কাজ সম্পন্ন করতে আট বছর লাগলেও এখনও চালু হয়নি প্রতিষ্ঠানটি।
২০২০ সালে ভবনটি হস্তান্তরের কথা থাকলেও নানা অজুহাতে পিছিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কলেজটি কখন চালু হবে তা এখনও অনিশ্চিত। জেলায় স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে দ্রত কলেজটি চালুর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলছেন, মেহেরপুরে আগে নার্সিং কলেজ ছিল না। তবে এখন কলেজ তৈরি হলেও চালু হচ্ছে না।
আরেক স্থানীয় বলেন, ‘আমাদের জেলা থেকে অনেক নার্স বের হয় যারা ডিপ্লোমা নিয়ে পড়াশোনা করে। উচ্চতর শিক্ষার নার্স অনেক কম। উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আমাদের কলেজ থেকে যে নার্স বের হবে তাঁরা জেলাতেই সেবা দেবে। আমাদের জেলার মানুষ তাদের কাছ থেকে ভালো মানের সেবা পাবে।’
এদিকে জনবল ও যন্ত্রাংশ অনুমোদনসহ হস্তান্তর জটিলতা সমাধান করে দ্রুত কলেজটি চালু করতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।
মেহেরপুর জেলা সিভিল সার্জন এ কে এম আবু সাঈদ বলেন, ‘১৮০ আসন বিশিষ্ট মেহেরপুর নার্সিং ট্রেনিং কলেজটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। কলেজটি চালু করার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। সেখান থেকে প্রশাসনকি অনুমোদন এলেই নার্সিং কলেজ চালু হবে।’



