কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন। সারা দেশেই কুয়াশার কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়ায়। প্রচন্ড শীতে গরম কাপড়ের অভাবে ভোগান্তিতে ছিন্নমূল মানুষ।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, সোমবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে, গতকাল রোববার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শনিবার ৯ ডিগ্রি, শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা, দেখা নেই সূর্যের। গত তিনদিন ধরে সিরাজগঞ্জের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। সোমবার সকালে এই জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশসিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত যমুনাপাড়ের জেলা সিরাজগঞ্জ।
গত কয়েকদিনের শীতে হাওরাঞ্চল মৌলভীবাজারের জনজীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি। কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ধীরগতি দেখা যায়।
স্থানীয়রা জানান, পঞ্চগড়-নীলফামারীতে রাতে তাপমাত্রা বাড়লেও কমেছে দিনের তাপমাত্রা। ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমশীতল বাতাসে হাড় কাঁপানো শীত। দুদিন ধরে মেঘাচ্ছন্ন আকাশে সূর্যের দখা নেই।
দিনাজপুরে প্রচন্ড ঠান্ডায় বেশিক্ষণ মাঠে থাকতে পারছেন না শ্রমজীবীরা। গরম কাপড়ের অভাবে চরম ভোগান্তিতে ছিন্নমূল মানুষ।
চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরে কুয়াশা কিছুটা কমলেও শীতের তীব্রতা কমেনি। উপার্জন কমে গেছে ভ্যান ও রিকশাচালকদের। মাঠের বীজতলা নিয়েও দুশ্চিন্তায় কৃষক।



