সিলেটের ছয়টি আসনে এক হাজার ১৬টি ভোটকেন্দ্রের অর্ধেকেরও বেশি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলছে নির্বাচন কমিশন। ৬ আসনে মোট প্রার্থী ৩৩ জন। আর মোট ভোটার ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৯ জন। এসব কেন্দ্র নিয়ে ভোটারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। কেন্দ্রে যাওয়া নিয়েও রয়েছে ভীতি। তবে প্রশাসন বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
হাওর, টিলা ও পাহাড়বেষ্টিত সিলেটে সংসদীয় আসন ছয়টি। এসব আসনে মোট ১ হাজার ১৬টি ভোটকেন্দ্রের অর্ধেকের বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সিলেট-১ আসনে। সেখানে ২১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ঝুকিপূর্ণ ১৫৯টি।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। বিগত নির্বাচনগুলোতে ওইসব কেন্দ্রে সংঘর্ষ হওয়ায় ভোটারদের মাঝে ভীতিও রয়েছে।
ভোটারেরা বলছেন, এবার নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটারেরা যেন ভোট দিতে যেতে পারে, সেটা সরকারের নিশ্চিত করা উচিত। যেসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ সেগুলোতে আরও কড়াকড়িভাবে নিরাপত্তা জোরদার করা উচিত।
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখলে ভোটার উপস্থিতি কমবে। তাই বাড়তি নজরদারির পরামর্শ তাঁদের।
সুজন সভাপতি শিরিন আক্তার বলেন, চা-শ্রমিক যাঁরা আছেন তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন। ফলে তাঁদের অনেকেই ভোটকেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে পারেন। এতে ভোটকাস্টিংয়ের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে প্রশাসন বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত সবগুলো কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ওইসব কেন্দ্রে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা, ড্রোন, বডিওর্ন ক্যামেরাসহ নানা প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা।
সিলেট জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম বলেন, ‘নিরাপত্তা জোরদারে প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আমরা বডিওর্ন ক্যামেরা রাখছি। এতে করে কোন কেন্দ্রে কী অবস্থা আমরা সেটা লাইভ দেখতে পারব।’



