সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে বহুল আলোচিত গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের মুত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৪ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
আজ সিলেট দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।
দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি আবুল হোসেন জানান, গত ৮ জুলাই দুইপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের এই তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। আজ এই মামলায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের মুত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ৪ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে দলবেধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে অভিযুক্ত ৮ জনই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। আসামি সবাই কারাগারে রয়েছেন।
ঘটনা পর ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং ডিএনএ পরীক্ষায় ছয়জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
মামলাটি গত বছরের মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুততম বিচারের জন্য স্থানান্তরিত হয়। বিচারকালীন গৃহবধূ, চিকিৎসক ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ২৪ জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন–সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ইসলাম এবং মাহফুজুর রহমান।



