সুনামগঞ্জ হাওরে যাওয়ার আগে যেসব নীতিমালা মানতে হবে

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৩, ১২:৫৩ পিএম

হাওরের জীব বৈচিত্র্য, অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নির্মল ও কোলাহল মুক্ত পরিবেশ নদী ও বিল ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাওরের পর্যটক সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দর্শনার্থীদের অপরিকল্পিত ও আকস্মিক ভ্রমণ হাওরের জীব বৈচিত্র্য ও পরিবেশ বিনষ্ট করছে। হাওরের সম্পদ, জীব বৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সর্বোপরি পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে দর্শনার্থীদের মাত্রাতিরিক্ত এবং যত্রতত্র ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত নীতিমালা প্রকাশ করেছে।

হাওরে নৌযান মালিক ও পর্যটকদের যেসব নীতিমালা মেনে চলতে হবে:

পর্যটনের কারণে হাওরের জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া যাতে বিঘ্নিত না হয় তার নিশ্চয়তা বিধানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করা। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কোন পর্যটকবাহী জলযানকে হাওরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। হাওরে অবস্থানকালীন সময় জলযানে পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয় মজুদ নিশ্চিত থাকতে হবে। হাওরে পরিবেশ, প্রতিবেশ অক্ষুণ্ণ রেখে নিয়ন্ত্রিত আকারে ভ্রমণ অনুমোদন করতে হবে।

তাহিরপুর উপজেলার ট্যাকেরঘাট এলাকা ব্যতীত অন্য এলাকায় নৌকায় রাত্রিযাপন করার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পূর্বেই অবহিত করতে হবে। পর্যটকবাহী জলযানে রান্নার জন্য ব্যবহার্য গ্যাস সিলিন্ডার বহন করা যাবে না। 

সংরক্ষিত এলাকা সমূহে বিভিন্ন প্রাণীর অবাধ বিচরণ, স্বাভাবিক আচরণ, প্রজনন, বংশ বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ইত্যাদি প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। বিদেশী পর্যটকদের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ এবং পর্যটকদের সাথে সমন্বয় সাধন করতে হবে। পর্যটনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি ও জীবনমানের উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। ভ্রমণকালে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো হাতিয়ার, ফাঁদ, বিষ ইত্যাদি কোন অবস্থাতেই বহন করা যাবে না এবং মাছ শিকার বা ধরার সহায়ক কোন সরঞ্জাম বহন করা যাবে না। হাওরে ভ্রমণের জন্য পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব নির্ধারণ করতে হবে। জলযান ব্যবহার সংক্রান্ত বিধি নিষেধ প্রণয়ন। সর্বোচ্চ ১শ ফুট দৈর্ঘ্যের নৌকা হাওরে ভ্রমণ করতে পারবে। জেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে গবেষণা কাজের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রয়োজনীয় সময় হাওরে অবস্থান করতে হবে। 

অন্যান্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ দিন এক রাত পর্যটকরা হাওরে অবস্থান করতে পারবে। হাওরে জীব বৈচিত্র্য সংকটাপন্ন হতে পারে কিংবা জীব বৈচিত্র্যের জন্য হুমকির সৃষ্টি হতে পারে এমন কোন কর্মকাণ্ড বা আচার-আচরণ করা যাবে না। অবকাঠামো ও উপরিকাঠামো প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে হবে। জলযান রেজিস্ট্রেশন ফি ও অন্যান্য যে কোন ধরনের আদায়যোগ্য ফি এর একটি তালিকা বিভিন্ন দপ্তর ও স্থানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে। হাওরে দৈনিক চলাচলযোগ্য নৌযানের সংখ্যা নির্ধারণ করে প্রচারের যথাযথ ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যটকগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভ্রমণ সম্পন্ন করতে পারে সে বিষয়ে ট্যুর অপারেটর ও পর্যটকদের সহযোগিতা, পর্যটকবাহী নৌযানে পর্যটক ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী ও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম কার্যকারিতা যাত্রা শুরুর পূর্বে নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। পর্যটকবাহী নৌযানে সৌর শক্তি ব্যবহারে সচেষ্ট থাকা। হাওরের অভ্যন্তরে উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী জেনারেটর বহন থেকে বিরত থাকা। রাত ১০ টার পর জলযানে ব্যবহৃত জেনারেটর বন্ধ রাখতে হবে। নৌকা বা জলযানে নিরাপদে ওঠানামার জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। পর্যটকবাহী নৌযানে রাত্রিকালীন অবস্থানের ক্ষেত্রে অনুমোদিত সংখ্যক পর্যটকের বেশী পর্যটক বহন করা যাবে না। হাওরে যত্রতত্র লঞ্চ বা জলযান নোঙর করা যাবে না এবং রাত্রিকালীন অবস্থানের ক্ষেত্রে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিতকরণসহ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধ সংঘটিত হতে দেখা গেলে বা আলামত পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী। নির্দিষ্ট স্থান ব্যতীত যত্রতত্র হাওর, নদী বা খালের পানিতে অবতরণ না করা এবং গোসল করা ও সাঁতার কাটা থেকে বিরত থাকতে হবে। হাওরের জীব বৈচিত্র্য সংকটাপন্ন হতে পারে কিংবা জীববৈচিত্রের জন্য হুমকির সৃষ্টি হতে পারে এমন কোন কর্মকাণ্ড বা আচার-আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে। সুনামগঞ্জ বজ্রপাত প্রবণ এলাকা হওয়ায় বজ্রপাতের ও বৃষ্টির সময় নৌকা বা জলযানের ভিতরে অবস্থান করা। 

যেকোন প্রকার অসামাজিক কর্মকাণ্ড,ইভটিজিং,মাদক গ্রহণসহ বেআইনি কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। স্থানীয় জনগণের সাথে কোনো ধরণের বিবাদে লিপ্ত হওয়া যাবে না। স্থানীয় মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। যেকোনো ধরণের প্রতারণা বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। নিজেদের মূল্যবান মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে। সীমান্তবর্তী পর্যটন স্পটসমূহে পর্যকটগণ কোনোভাবেই সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করতে পারবে না। ভ্রমণের পূর্বে প্রত্যেক পর্যটকের পরিচয় সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি একটি ফরমে (নাম, মোবাইল নম্বর, এনআইডি/জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি) সংগ্রহ করে স্থানীয় প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট জমা প্রদান করতে হবে। 

নীতিমালা উদ্দেশ্য: হাওরে ভ্রমণের রুট নির্ধারণ করা এবং ব্যাপকভাবে প্রচারের ব্যবস্থা করা। সুপরিকল্পিত পর্যটন উন্নয়ন ও পর্যটন স্পটসমূহ রক্ষণাবেক্ষণ করা। অপরিকল্পিত পর্যটন নিয়ন্ত্রণ করা ও পরিবেশ বান্ধব পর্যটনকে উৎসাহিত করা। হাওরের জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা। পর্যটন শিল্প বিকাশে বিভিন্ন এজেন্সির মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধান করে ভ্রমণকে উপভোগ্য করে তোলা। পর্যটনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং তাঁদের জন্য বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা। রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওরের জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণের মাধ্যমে এর নয়নাভিরাম সৌন্দর্য বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরা।সুনামগঞ্জ হাওর। ছবি: ইনডিপেনডেন্ট

পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পর্যটন শিল্প সহায়ক সুবিধাদি নিশ্চিত করা। নৌযান সংশ্লিষ্ট যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত ডিজাইন অনুযায়ী তৈরিকৃত হতে হবে। নৌযানের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী নির্ধারিত টুরিস্ট, নিরাপত্তা সরঞ্জাম, লাইফ জ্যাকেট রাখতে হবে। নৌযানে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী থাকতে হবে। প্রশিক্ষিত মাঝি/সুকানী দ্বারা নৌযান পরিচালনা করতে হবে। হাওরের জীব বৈচিত্র্য রক্ষা ও সার্বিক পরিবেশ, প্রতিবেশ সংরক্ষণের নিমিত্ত প্রতিদিন কেবলমাত্র জেলা প্রশাসন কর্তৃক অনুমতি প্রাপ্ত নির্দিষ্ট সংখ্যক নৌযান হাওরে পর্যটক বহন করতে পারবে।

জেলা প্রশাসন নৌযানের তালিকা হতে পর্যায়ক্রমে পর্যটক বহন করার জন্য নৌযান বাছাই করবে।

স্বাভাবিক মাত্রার অধিক শব্দ সৃষ্টিকারী কালো ধোঁয়া উদগীরণকারী বা ত্রুটিপূর্ণ কোন জলযান পর্যটক পরিবহনে ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং পর্যটকবাহী নৌকার বর্জ্য রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

নীতিমালায় পর্যটকবাহী নৌযানগুলোতে ভ্রমণের জন্য ভাড়া নির্ধারণ ও পর্যালোচনা বিষয়ক একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে আহবায়ক ও সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে পুলিশের প্রতিনিধি,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিআইডব্লিউটি এর একজন প্রতিনিধি,পর্যটন সেলের একজন সহকারী কমিশনার, ট্যুর অপারেটরের সাধার সম্পাদক বা সভাপতি,নৌযান মালিক সমিতির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক।

ট্যুর অপারেটর, নৌযান বা হাউসবোট মালিক ও পরিচালকদের প্রতি নিদের্শনাবলী:

নির্দিষ্ট শর্তাবলি পূরণসাপেক্ষে জেলা প্রশাসন বরাবর আবেদন করে প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশন/অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। প্রাথমিক অনুমোদন গ্রহণের ৩ মাসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নৌযানসমূহের নিবন্ধন ও জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন এবং রুট পারমিট গ্রহণ করে (অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংক্রান্ত যাবতীয় আইন ও বিধানাবলী অনুযায়ী) জেলা প্রশাসন হতে চূড়ান্ত অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ করতে হবে।

জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী বলেন, ভ্রমণকালে প্রচলিত আইন, বিধি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। ভ্রমণকালে কোনো মাইক,মাইক্রোফোন জাতীয় উচ্চ শব্দযন্ত্র বহণ করা যাবে না। হাওরে নির্জনতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে হবে। শিক্ষা সফরে আসলে নৌযানে অবশ্যই শিক্ষক থাকতে হবে।

হাওরে ভ্রমণকালে মানববর্জ্যসহ অন্যান্য বর্জ্য কোনোভাবেই হাওরের পানিতে ফেলা যাবে না। হাউস বোটে পর্যাপ্ত পরিমাণ সেফটিক ট্যাংক সরবরাহ রাখতে হবে।

ঢাকাস্থ চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সংগঠন ‘চিটাগাং জার্নালিস্ট ফোরাম-ঢাকা’র (সিজেএফডি) নতুন কমিটি (২০২৬-২০২৮) গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি পদে জাস্ট এনার্জি নিউজের সম্পাদক মো. শামীম জাহাঙ্গীর এবং...
সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশ-ইন (জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার) চেষ্টা আবারও নস্যাৎ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় গ্রামবাসী। শনিবার ভোরে মেহেরপুরের...
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত এলাকার শূন্য রেখায় থাকা নারী-পুরুষ এবং শিশুসহ ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা। পুশইনের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ১৯ ঘণ্টা পর শুক্রবার দিবাগত রাত...
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এক কিশোরীকে (১৬) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ দিয়েছে সরকার। রোববারের মধ্যে জবাব না দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে একে বেআইনি বলছেন আদ-দ্বীন...
প্রতি ঘনমিটার গ্যাসে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ...
দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় আগামী জাতীয় বাজেটে ৬০ হাজার কোটি টাকার ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ বা পুনরুদ্ধার ও সমন্বয় প্রকল্প রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা...
যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া হাজারীবাগ থেকে সাভারে চামড়া শিল্প স্থানান্তর করা ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। এ খাতের উন্নয়নে আগামী...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর