শুল্ক কমানোর প্রভাব পড়েছে চিনির বাজারে। এক মাসে দাম কমেছে সাড়ে তিন শতাংশ পর্যন্ত। পাশাপাশি রমজান সামনে রেখে প্যাকেট চিনি বিক্রি করছে সরকারি মিলগুলো। টিসিবিও কম দামে চিনি বিক্রি করছে। তবে রোজায় কেউ যাতে কারসাজি করতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকার তাগিদ দিয়েছেন ভোক্তারা।
প্রতি বছর রোজার আগে চিনির দাম বাড়লেও এবার তেমন হয়নি। বাজারে চিনির সংকটও নেই।
গত অক্টোবরে চিনির আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৩০ থেকে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এরপর থেকে খোলা সাদা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজিতে আর প্যাকেটজাত ১২৫ টাকা। সরকারি লাল চিনির প্যাকেট ১৪০ টাকা কেজি। গত বছরের চেয়ে ১৪ শতাংশ কম।
দীর্ঘদিন পর ১৪০ টাকা কেজি দরে প্যাকেট চিনি বিক্রি করছে সুগার মিল করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সরকারি মিলে চিনি উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩২ হাজার টন। রোজার আগেই রাজধানীতে খোলা ট্রাকে চিনি বিক্রির পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিএসএফআইসির সচিব মো. আনোয়ার কবীর বলেন, ‘আমাদের নিচে যে বিক্রি হয়, ৫ দিন। আর এ মধ্যে দেখা যাক, আমরা চেষ্টা করছি যে ট্রাকে করে নিয়ে গিয়ে হয়ত আমরা বিভিন্ন স্পটে যেমন সচিবালয় বা অফিসার্স ক্লাব, এ রকম পজিশনেও হয়ত আমরা বিক্রির চেষ্টা করব, রমজানকে টার্গেট করে।’
তবে ভোক্তাদের শঙ্কা, রমজান সামনে রেখে সুযোগ নিতে পারে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এজন্য এখনই বাজারে কঠোর নজরদারি দরকার।
ফ্যামিলি কার্ডধারীদের মাঝে ৭০ টাকা কেজি দরে চিনি বিক্রি করছে টিসিবিও।



