পয়লা বৈশাখ ঘিরে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দেশের অর্থনীতি। বিক্রি বেড়েছে পোশাক, মিষ্টি, ইলিশ মাছের। জমে উঠেছে গ্রামীণ মেলাও। বৈশাখী ভাতা যোগ করেছে বাড়তি আনন্দ। অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, সব মিলিয়ে বৈশাখের অর্থনীতির আকার বিশ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। এবার ঈদের পর বাংলা নববর্ষ হওয়ায় ভালো লেনদেনের প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উৎসব পয়লা বৈশাখ। প্রতি বছরই বাড়ছে এর ব্যাপকতা। এ উৎসবের রয়েছে অর্থনৈতিক গুরুত্বও।
নানা আয়োজনে সাজানো পহেলা বৈশাখের অন্যতম অনুষঙ্গ পোশাক। বৈশাখী আঙ্গিকে নানা নকশার পোশাকের বিক্রি বেড়েছে ফ্যাশন হাউজগুলোতে। ক্রেতা আকর্ষণে দেওয়া হয়েছে নানা অফারও। চাঙ্গা ফুলের বাজারও। ফেব্রুয়ারি মাসের পর এ সময় ফুলের বেচা-বিক্রি বেশি। নববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকায় মেলা ঘিরে জমজমাট কারু শিল্পের বাজার। দাম বেশি হলেও, ইলিশের বাজারও সরগরম।
মিষ্টি প্রস্তুতকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল ঘোষ বলেন, স্বর্ণ অলংকারের বিক্রি বাড়ার পাশাপাশি মিষ্টির দোকানেও নববর্ষ উপলক্ষে থাকে আলাদা আয়োজন। গত কয়েক বছর রোজার মধ্যে পয়লা বৈশাখ হওয়ায় সামগ্রিক আয়োজনে ছেদ পড়ে। এবার তাই লেনদেন ভালো।
অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবীর বলছেন, হালখাতার সংস্কৃতি চাঙ্গা করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে। উৎসব উপলক্ষে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন উদ্যোক্তা। সব মিলিয়ে বৈশাখের অর্থনীতির আকারও বাড়ছে।



