ঈদ মৌসুমে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ জামদানি পল্লিতে রাতদিন ব্যস্ত তাঁতীরা। তাঁত মালিকরা বলছেন, সুতাসহ উপকরণের দাম বাড়লেও শাড়ির দাম তেমন বাড়েনি।
আসন্ন ঈদ উৎসবকে সামনে রেখে বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ জামদানি পল্লী ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামের তাঁতীরা। তেরছা, পানসি, ময়ূরপঙ্খি, করলা, জাল সহ বাহারি সব নকশার জামদানি শাড়ি বুনছেন তারা।
৫ হাজার থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকা মূল্যের প্রতিটি শাড়ি তৈরিতে তাঁতিদের সময় লাগে শাড়িভেদে ১৫ দিন থেকে ২ মাস। বর্তমানে শাড়ি তৈরির পাশাপাশি জামদানি দিয়ে পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, টুপি ও শিশুদের পোশাকও তৈরি হচ্ছে। ঈদে বাড়তি আয়ের আশায় দিনরাত কাজ করার কথা জানান তাঁতীরা।
তবে তাঁত মালিকরা বলছেন, সুতাসহ উপকরণের দাম বাড়লেও শাড়ির দাম বাড়েনি তেমন। শো-রুমের পাশাপাশি অনলাইনেও শাড়ি বিক্রি জমে উঠেছে।
রূপগঞ্জ জামদানিপল্লির বিসিক কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, সরকারিভাবে তাঁতিদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। এবারের ঈদে দেশ বিদেশ মিলে প্রায় দেড়শো কোটি টাকার জামদানি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে বিসিক কর্তৃপক্ষ।
ঈদ উপলক্ষ্যে জামদানি শাড়ির পাশাপাশি তুলনামূলক কমদামে বিক্রি হচ্ছে থ্রি পিছ ও পাঞ্জাবীও।



