ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত শেরপুর ও সাতক্ষীরার পর্যটনকেন্দ্রগুলো। পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগে অনেকেই আসবেন বলে আশা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। পর্যটন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসনও।
শেরপুর জেলার উত্তর সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত গারো পাহাড়। নয়নাভিরাম পাহাড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে এখানে ছুটে আসেন পর্যটকেরা।
এখানকার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও মধুটিলা ইকো পার্ক। ঈদের ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে এসব এলাকা। সেজন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ইজারাদাররা।
ব্যবসায়ীরা জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ঈদ উপলক্ষে সরকারি ছুটি বেশি বলে পর্যটকদের আগনমনও বাড়বে আশা করা যায়।
ঈদ ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন।
শেরপুর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ বলেন, পর্যটকেরা যেন নিরাপদে স্বাচ্ছন্দ্যে ছুটি উপভোগ করতে পারে সেজন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পর্যটক বরণে প্রস্তুত সাতক্ষীরার সুন্দরবন সংলগ্ন আকাশনীলা ইকো-ট্যুরিজম সেন্টার ও দেবহাটার রুপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটনকেন্দ্র। মোজাফফর গার্ডেনসহ জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রগুলো নেওয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি।
শ্যামনগর উপজেলার কলবাড়িতে চুনা নদীর তীরে সুন্দরবন ঘেষা ২৫০বিঘা জমিতে প্রতিষ্ঠিত ‘আকাশলীনা ইকোট্যুরিজম সেন্টার’। আর সীমান্ত নদী ইছামতির তীরে প্রায় ১৫০ বিঘা জমির ওপর সুন্দরবনের আদলে গড়ে তোলা হয়েছে রুপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটনকেন্দ্র।
(প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন সংশ্লিষ্ট জেলার প্রতিনিধিরা)



