রাজস্ব ঘাটতি মোকাবিলা, দাতা সংস্থার চাপ এবং উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায় করতে চায় সরকার। সে লক্ষ্যে আগামী অর্থবছর করছাড়ের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় এনবিআর। এজন্য কর জাল সম্প্রসারণে সক্রিয় সংস্থাটি। করের আওতা শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজস্ব লক্ষ্য পূরণে পরোক্ষ কর নয়, প্রত্যক্ষ করের উপরই জোর দিতে হবে।
দেশের কর জিডিপি অনুপাত এখনো ৬ শতাংশের ঘরে। যা অনেক উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় কম। কর আদায়ে এখনো প্রত্যক্ষ করের চেয়ে পরোক্ষ করের ওপরই নির্ভরশীল সরকার।
আসছে বাজেটে ব্যয় মেটাতে করের আওতা শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনা সরকারের। ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে আয়ের সংস্থান করতে শুধু এনবিআর আদায় করবে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। সে লক্ষ্যে স্থানীয় পর্যায়ে মূসক এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর থেকে সর্বোচ্চ আদায়ের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
আগামী বাজেট থেকে সম্পদ কর চালুর পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জমি ও স্থাবর সম্পদের মূল্য নির্ধারণ বাজারভিত্তিক করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং আদায় বাড়াতে ডিজিটালাইজেশনে জোর দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদেরা।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধারাবাহিকভাবে পূরণ হচ্ছে না। তাই, আগামী বাজেটও বাস্তব সক্ষমতার তুলনায় উচ্চাভিলাষী বলে মত তাদের।



