যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সংঘাতের পর হামলা আপাতত বন্ধ রাখায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় প্রভাব পড়েছে। একদিনেই তেলের দাম কমেছে ৯ শতাংশের বেশি। গত দুই সপ্তাহের সংঘাতে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও মধ্যস্থতাকারীদের উদ্যোগে কূটনৈতিক আলোচনা এগোচ্ছে– এ খবরে বাজারে স্বস্তি ফিরেছে।
টানা তিন সপ্তাহ ধরে দাম বাড়ার পর দুই ধরনের তেলের দামেই বড় পতন ঘটল। অয়েল প্রাইস ডট কমের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৯ শতাংশ কমে ৮৭ ডলারে নেমেছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট-ডব্লিউটিআইয়ের দাম ব্যারেল প্রতি ৭ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৮২ ডলার ৪৮ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির জন্য বাড়তি সময় দিতে হামলা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বাড়ার কারণে তেলের দাম কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে ইরানে হামলার পর আর কোনো নতুন বিমান অভিযান চালানো হয়নি। অন্যদিকে শুক্রবারের পর থেকে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে নতুন হামলা চালায়নি।



