বাংলাদেশের নদীপথ দিয়ে কলকাতা থেকে মুর্শিদাবাদে গিয়েছিল ভারতীয় জাহাজ এমভি মহাকালী ও টাগবোট রুদ্র। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড–এনবিআরের অনুমতির অভাবে আর ফিরতে পারছে না। ১৭শ টন ফ্লাই অ্যাশ নিয়ে থেমে আছে।
এদিকে ৭ দিনের মধ্যে কলকাতায় না গেলে, বাতিল হবে ফিটনেস সনদ। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, কাস্টমসের উদাসীনতাই এ ঘটনার জন্য দায়ী। এতে দুই দেশের বাণিজ্যেরই ক্ষতি হচ্ছে।
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ থেকে মুর্শিদাবাদের মায়াবন্দর পর্যন্ত নৌপথ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। ২০২৪ সালে চালু হলেও ১০ দিন পর তা আবারো বন্ধ হয়ে যায়।
বন্দরটি চালুর সম্ভাবনা দেখে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল কলকাতা থেকে বাংলাদেশের নৌপথে মুর্শিদাবাদের মায়াবন্দরে যায় এমভি মহাকালী ও টাগবোট রুদ্র। কিন্তু ১০ দিনের মাথায় বন্দরটি বন্ধ হয়ে গেলে প্রায় ২ বছর ধরে আটকে আছে জাহাজ দুটি।
১ হাজার ৭শ টন ফ্লাই অ্যাশ বহনকারী দুই জাহাজের বাংলাদেশে প্রতিনিধি এসএস রহমান শিপিং লাইনস। তারা ফিরতি যাত্রার জন্য অনুমতি এবং কাস্টমসের পরীক্ষার জন্য এনবিআরে আবেদন করলেও, মেলেনি অনুমতি। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনবিআরের গাফিলতিতে চালু হচ্ছে না সুলতানগঞ্জ বন্দর। এতে বিপাকে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা।
রাজশাহী চেম্বারের সভাপতি হাসেন আলী বলেন, ‘রাজস্ব বোর্ড বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা পারমিশন দিচ্ছে না। আমাদের ১১টা পারমিশন দরকার। এরমধ্যে নৌপরিবহন থেকে শুরু করে সবাই ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিয়েছে। শুধু রাজস্ব বোর্ড অনুমোদন দেয়নি।’
জাহাজ দুটির ফিটনেস মেয়াদ ৭ দিন পর শেষ হচ্ছে। সনদ নবায়নের জন্য এর আগেই কলকাতায় পৌঁছাতে হবে। নইলে পড়তে হবে আইনি জটিলতায়। সব বিষয়ে এনবিআরের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



