গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট আর নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে চাপে সাধারণ মানুষের জীবন। গ্রাহকদের দ্বিগুণ বিদ্যুতের বিল হওয়ায় চুরি ও অনিয়মের অভিযোগ ভোক্তা অধিকার সংগঠন- ক্যাবের। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে নিজ কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় বক্তাদের দাবি, ব্যক্তি বা কোনো গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে জ্বালানির আমদানিনির্ভরতা বাড়ানো হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার।
গত জুনে খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ায় সরকার। পাশাপাশি গ্রাহকের বিল দ্বিগুণের বেশি হওয়ার অভিযোগ ওঠে। তার ওপর আছে লোডশেডিং। এমন পরিস্থিতে ভোক্তারা যখন হিমশিম খাচ্ছেন তখন বাড়ানো হয়েছে ভোজ্যতেলের দামও।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের তথ্য মতে, গ্যাস বিদ্যুতের সংকটে ইতিমধ্যে সংকটে পড়েছে প্রায় ৪০০ শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এতে বেকার হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে লাখ লাখ শ্রমিক। ক্যাবের আলোচনায় বক্তারা বলেন, অবৈধ গ্যাস সংযোগের পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
ক্যাব সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের মতে, জ্বালানি সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে এর প্রভাব পড়বে দেশের পুরো অর্থনীতিতে। সয়াবিন তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ব্যবসায়ীরা সরকারকে জিম্মি করে দাম বাড়িয়েছে বলেও অভিযোগ ক্যাব সভাপতির।
এছাড়া জীবন রক্ষাকারী ওষুধের তালিকা ১৫০ থেকে কমিয়ে ১১৭টি কার স্বার্থে করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করার দাবি সংগঠনটির।



