দেশের শ্রমবাজারে পুরুষ কর্মীদের চেয়ে নারীরা এখনো উল্লেখযোগ্য হারে কম মজুরি পাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর হিসেবে নারী-পুরুষের মজুরি ব্যবধান ২২ থেকে ২৫ শতাংশ। এর পেছনে কাঠামোগত ও সামাজিক নানা বৈষম্য কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সম্প্রতি এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে আইএলও।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষা, বয়স ও পেশার ধরন এক হওয়ার পরও নারী-পুরুষের মজুরির ব্যবধান রয়ে গেছে। দেশের উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর প্রায় ৩৫ শতাংশ নারী হলেও কাজ করেন মাত্র ৫ শতাংশ।
উৎপাদন ও গৃহস্থালি খাতের মতো নিম্ন মজুরির পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ বেশি থাকলেও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে এই হার মাত্র ৬ শতাংশের ঘরে। গৃহস্থালির কাজে বেশি সময় দেয়ার কারণে নারীদের পক্ষে পেশা ক্ষেত্রে অগ্রসর হওয়ার সুযোগও সীমিত।



