দুর্গাপূজা—স্বাভাবিক, ব্যস্ত থাকব। সেভাবেই তাই পরিকল্পনা সাজিয়েছিলাম। ষষ্ঠী থেকেই মূলত জমে উঠে আমাদের আয়োজন। ২০২২ সাল থেকে দুর্গাপূজাটা আমার জন্য বিশেষ হয়ে উঠেছে। শাখা, সিঁদুর, জামদানি শাড়ি, আলতা পরানো হাতে সেবার প্রথমবার বরণ করি দেবী দুর্গাকে। এবারও তাই।

আমার শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লা। তাই বিয়ের পর থেকে ‘ঢাকা টু কুমিল্লা’ বিষয়টি পূজাতে থাকে। এবারও সেভাবেই পরিকল্পনা করা। এ ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা করিনি। কারণ পূজার পরপরই মাকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে দেশের বাইরে যেতে হবে। এ ছাড়াও রাস্তাঘাটে বেশ যানজট থাকায় স্বল্প সময়ের জন্যও কোথাও যেতে ইচ্ছে করে না।
আর সবার কাছে চাইব, সারাটা জীবন যেন আমাদের শান্তি-সম্প্রীতি অটুট থাকে। হাতে হাত রেখে আমরা দেশটাকে এগিয়ে নিতে চাই।
শ্রুতিলিখন: ওয়ালিউল বিশ্বাস



